আমাদের ভারত, ৩১ অক্টোবর: মাত্র কয়েক মাস পরে পঞ্চায়েত নির্বাচন। আর তার আগেই শাসক ও প্রধান বিরোধী দলের নেতাদের তর্কবিতর্কে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শেখ সুফিয়ানকে ডান্ডা দিয়ে মেরে আগা পাচতলা সোজা করে দেওয়ার নিদান দিয়েছেন।
রবিবার পূর্ব মেদনীপুরের নন্দকুমারে এক দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন সুকান্ত মজুমদার। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, “ভয় আর পাওয়া যাবে না। এবার যদি কেউ ভয় দেখাতে আসে, চমকাতে আসে, তাকে আপনারাই চমকাবেন। দল আপনাদের সঙ্গে আছে। দল আপনাদের পাশে দাঁড়াবে। যদি তৃণমূল কংগ্রেস দুধ দেয়, তাহলে আমরা পায়েস তৈরি করে দেব। কোনো অসুবিধা নেই। ভদ্রলোকের সঙ্গে আমরাও ভদ্রলোক। কিন্তু যদি চোখ রাঙায় বা চিটিংবাজি করে, তাহলেও কে সুফিয়ান কোনো দিকে তাকাবেন না। আগে আগা পাঁচতলা সোজা করবেন। তারপর আমাকে ফোন করে বলবেন দাদা ডোজ দিয়ে দিয়েছি। কোর্স কমপ্লিট একদম। ওষুধ দিয়ে দিয়েছি তারপর যা হওয়ার হবে আমরা দেখব।
রাজ্য পুলিশকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে সুকান্ত মজুমদার বলেন, নবান্ন অভিযানে একটা সময় পুলিশ দৌড়ে পালাচ্ছিল। পুলিশের নিচু তলার লোকেরা ভালো, খারাপ না। উঁচু তলার কিছু আইপিএস আর ডাব্লু বিসিএস অফিসাররা আছেন যারা পদোন্নতির জন্য চটি চাটছেন দিনরাত। আপনারাও বলে দেবেন, পুলিশ যখন পুলিশের মত আচরণ করবে আপনাদের থেকেও পুলিশের মত আচরণ পাবে। কিন্তু পুলিশ যদি তৃণমূলের ক্যাডারের মতো আচরণ করে তাহলে চাল চোরদের সঙ্গে যেমন আচরণ করতে হয় আপনারাও তেমন আচরণ করবেন। ডান্ডা বড় হওয়া চাই ছোট হলে চলবে না।”
সুফিয়ান সুকান্তর এই মন্তব্যের পাল্টা দিতে গিয়ে বলেছেন, ” উনি যাই বলুক না কেন সুফিয়ানকে কিছু করতে পারবে না। আমার বিরুদ্ধে অনেক মিথ্যে মামলা হয়েছে। কিন্তু সুকান্ত মজুমদার বিড়ালছানা। ওর মতো ছেলের নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সুফিয়ানকে দমানো কষ্টের আছে।”

