আমাদের ভারত, ২০ আগস্ট:গণতন্ত্রের সূতোয় গাঁথা ভারত মার্কিন সম্পর্ক। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধই এই দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি। আর সেই ভিত্তিকে মজবুত করার অন্যতম সৈনিক প্রবাসী বাঙালি যুধাজিৎ সেন মজুমদার। আমেরিকার সিলিকন ভ্যালির অন্যতম এই তথ্য প্রযুক্তি শিল্পোদ্যোক্তাকে দু’দেশের সম্পর্কের ভীতকে মজুবত করার অন্যতম কারিগর হিসেবে স্বীকৃতি জানাল কাউন্টি অফ অ্যালেমিডার বোর্ড অফ সুপারভাইজারস।
ভারতবর্ষের স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষ উপলক্ষে অ্যালেমিডা কাউন্টির সুপারভাইজার তথা ডাবলিনের প্রাক্তন মেয়র ডেভিড হাবার্ট প্রবাসী বাঙালি যুধাজিৎ সেন মজুমদারের হাতে প্রশংসা পত্র তুলে দেন। এই প্রশংসা পত্রে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগ ও বলিদানকে স্মরণ করে বলা হয়েছে যে স্বাধীনতার সংগ্রামীদের আত্মত্যাগের ফলেই ভারতবর্ষে যেমন স্বাধীনতা এসেছিল তেমনি ভারতবর্ষের ভবিষ্যৎকে তারা সুরক্ষিত করেছেন নিজেদের প্রাণের বিনিময়ে। স্বাধীনতার পর থেকেই শিক্ষা, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ গবেষণা সহ সবক্ষেত্রেই ভারত ব্যাপক ভাবে এগিয়েছে বলেও মত পোষণ করা হয়েছে শংসাপত্রে। শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে ভারতের ৭৫ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষেও।

এই প্রশংসাপত্র পাওয়ার স্বভাবতই অত্যন্ত খুশি ও গর্বিত যুধাজিৎ সেন মজুমদার সহ প্রবাসী ভারতীয়রা। সর্বোপরি একজন বাঙালী আবার বাংলাকে বিদেশের মাটিতে গর্বিত হবার সুযোগ করে দিলো। যুধাজিৎ বাবু বলেন, “প্রবাসী ভারতীয় হিসেবে দু’দেশের সম্পর্ককে মজবুত করতে যে কাজ নিরলস ভাবে আমরা করি, তার স্বীকৃতি পাওয়া অবশ্যই অত্যন্ত গর্বের”। তিনি আশাবাদী, দুনিয়ার সেরা এই দুই গণতান্ত্রিক দেশ আরও কাছাকাছি এসে একাট্টা হয়ে সারা বিশ্বকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত করার লক্ষ্যে একসাথে কাজ করে যাবে। তিনি ধন্যবাদ জানান তার কাজকে এইভাবে উৎসাহিত করা জন্য।
তালিবানদের আফগানিস্তান দখল প্রসঙ্গে তিনি বলেন,”আমরা আশা করব জঙ্গিদের এই দৌরাত্ম ঘিরে আশঙ্কার যে কালো মেঘ তৈরি হয়েছে, সেটা কাটিয়ে উঠতে ভারত ও আমেরিকা যৌথভাবে কাজ করবে আগামী দিনে।”

