স্নেহাশীষ মুখার্জি,আমাদের ভারত, নদিয়া ২৩ মার্চ:
একশ শতাংশ নিশ্চিত কৃষ্ণনগরের বাসিন্দারা আমাকেই আশীর্বাদ করবেন। আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা কৃষ্ণনগরের পুতুলের দেশ ঘূর্ণিতে। আমার কর্মস্থল কুলগাছিও কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে। ঘরের মেয়েকে দূরে সরিয়ে রাখতে কে চায় বলুন? জেতার প্রসঙ্গে এভাবেই তিনি নিজেকে তুলে ধরলেন, জোট প্রার্থী সিলভী সাহা।
কৃষ্ণনগর এখন হেভিওয়েট কেন্দ্র। বিজেপি প্রার্থী মুকুল রায় এবং তৃণমূল প্রার্থী টলিউড অভিনেত্রী কৌশানি মুখার্জি। এই দুই হেভিওয়েটের মাঝে পড়ে গেছেন জোট প্রার্থী কংগ্রেসের সিলভী সাহা। তাঁর আশা ঘরের মেয়েকেই মানুষ জেতাবে। প্রচারে সেই বিষয়টি তিনি তুলে ধরছেন। তিনি যে কিছুটা চাপে তা তাঁর কথাতেই পরিস্কার। তৃণমূলের মা মাটি মানুষ আর ঘরের মেয়েই তাঁর প্রচারের হাতিয়ার। তিনি বলেন, হেভিওয়েট লাইটওয়েট বুঝি না। আমি জানি আমি ভূমি-কন্যা। এখানকার বাসিন্দারা আমায় চেনেন, জানেন। কৃষ্ণনগরের মা মাটি মানুষ আমায় চেনে। বিরোধী প্রার্থী সবাই সম্মানীয়। প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভোটের ময়দানে হবে। তবে কৃষ্ণনগরবাসী বিলক্ষণ জানেন একজন দলবদলু দিল্লির নেতা( মুকুল রায়)। আরেকজন টলিউডের অভিনেত্রী(কৌশানি মুখার্জি)। কৃষ্ণনগরবাসীরা সর্বক্ষনের বিধায়ক চান, না কি উইকেন্ডের বিধায়ক চান, তারাই ঠিক করবেন।

তাঁর কথায়, লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষিত আলাদা। ২০১৬ সালে জোট প্রার্থী ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলেছিল জয়ী প্রার্থীর। এবারে সেটা ছাপিয়ে যাবে। কারন মানুষ ১০ বছরের মিথ্যা প্রতিশ্রুতির সরকার রাজ্যে দেখেছে। আর ৬ বছরের বেচুরামের সরকার কেন্দ্রে দেখেছে। এবার তারা মনস্থির করে ফেলেছে মুখে ভাত, হাতে কাজ চাই আর তাই জোট প্রার্থীকে জেতাতে চায়।
প্রতি মুখে ভাত আর সব-পরিবারে কাজ চাই। তাই জোট সরকার চাই। ঘরে ঘরে বেকারের জন্য চাকরি চাই। পি এস সি, টেট, এসএসসি নিয়মিত চাই। দুর্নীতিমুক্ত সরকার আর গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা রাজ্যে ফেরাতে চাই। এগুলো একমাত্র জোট সরকারই দিতে পারে। যেটা ইউপিএ সরকার করে দেখিয়েছিল। বামেদের সমর্থনে কংগ্রেসের সরকার ছিল কেন্দ্রে আর মানুষ পেয়েছে ১০০ দিনের কাজ। যে প্রকল্প নিয়ে এখনো গর্ব করে রাজ্য সরকার ও কেন্দ্র সরকার, প্রকল্পের নাম যতই পাল্টে দিক।

