আমাদের ভারত, ৩ জুলাই: চূড়ান্ত পর্যায়ে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পর কোভ্যাক্সিনের কার্যক্ষমতা প্রকাশ করল হায়দ্রাবাদের ভারত বায়োটেক সংস্থা। উপসর্গযুক্ত কোভিডে ৭৭.৮ শতাংশ কার্যকরী এবং নিরাপদ এই ভ্যাক্সিন বলে দাবি টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থার।
শুক্রবার রাত্রে ভারত বায়োটেক টুইট করে টিকা ট্রায়ালের একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে বলা আছে, উপসর্গযুক্ত রোগীদের ওপর কোভ্যাক্সিন ৭৭.৮ শতাংশ কার্যকর। ভারতে প্রথম খোঁজ মেলা কোভিডের সব চেয়ে প্রভাবশালী ভেরিয়েন্ট ডেল্টার ওপর কোভ্যাক্সিনের কার্যকারিতা ৬৫.২ শতাংশ এবং গুরুতর লক্ষণযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা ৯৩.৪ শতাংশ । পাশাপাশি টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার হার ১২ শতাংশ এবং যা অন্যান্য টিকার তুলনায় কম বলে দাবি করেছে টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা ভারত বায়োটেক।
দেশীয় এই টিকাকে তৃতীয় ট্রায়ালের আগেই আপাতকালীন ব্যবহারের জন্য জানুয়ারি মাসেই অনুমতি দিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। ভারত বায়োটেক প্রথম অন্তর্বর্তী বিশ্লেষনের পর মার্চ মাসের রিপোর্টে এই টিকার কার্যকারিতা বলেছিল ৮১ শতাংশ। এপ্রিলে পরবর্তী অন্তর্বর্তী বিশ্লেষনের পর এর কার্যকারিতা ৭৮ শতাংশ বলে দাবি করে। সম্প্রতি কোভিশিল্ডের তুলনায় কোভ্যাক্সিন শরীরে কম পরিমান অ্যান্টিবডি তৈরী করাকে কেন্দ্র করে সমালোচনা শুরু হলে ভারত বায়োটেক জুলাই মাসে চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশ করার ঘোষণা করে ৯ জুন।
ভারতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত টিকার মধ্যে রয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড এবং এই সংস্থার কোভ্যাক্সিন। তবে কোভিশিল্ডকে আপাতকালীন ব্যবহারের জন্য অনুমতি দিলেও কোভ্যাক্সিনকে এখনও ছাড়পত্র দেয়নি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। ফলে যারা টিকাকরণে কোভ্যাক্সিন নিয়েছেন তারা ‘ভ্যাক্সিন পাসপোর্টের জন্য অনুমোদন নাও পেতে পারেন বলে শোনা গেছে।

