প্রতীতি ঘোষ, ব্যারাকপুর, ৬ মে: ইতিমধ্যেই সারা দেশের পাশাপাশি গোটা রাজ্যে আছড়ে পড়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে সংক্রমনের সংখ্যা। তাই তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়ে করোনা সংক্রমণের চেন ভাঙার জন্য রাজ্যের সমস্ত লোকাল ট্রেন পরিষেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তাই এক বছর আগের সেই ছবি আবারও উঠে আসল চোখের সামনে।
করোনা সংক্রমণ রুখতে গতবছর ২৪ শে মার্চ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের সমস্ত ট্রেন পরিষেবা। সেই একই কারণে এ বছর ৬ ই মে থেকে রাজ্যের সমস্ত লোকাল ট্রেন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার, যার কারণে শুনশান ব্যারাকপুর স্টেশন চত্বর, জনমানুষ নেই বললেই চলে। যারা যাচ্ছেন তাদের ফিরিয়ে দিচ্ছেন রেল পুলিশের কর্মীরা।

লোকাল ট্রেন বন্ধ হওয়ায় তার প্রভাব পড়েছে বাস পরিবহনে। লোকাল ট্রেন বন্ধ হওয়ায় যাত্রীরা নির্ভর করছেন বাস পরিবহনের উপর। বাসের জন্য ব্যারাকপুর স্টেশনের বাইরে পড়েছে লম্বা লাইন। কিন্তু বাসও হাতে গোনা। ফলে লাইনের মধ্যে গায়ে গায়ে দাঁড়িয়ে বাসের প্রতীক্ষা করতে দেখা গেল যাত্রীদের। তাদের দাবি, “সরকারের উচিত ট্রেন পুরোপুরি বন্ধ না করে বরং দূরত্ব বজায় রেখে অফিস যাওয়ার সময় ব্যবস্থা করা। নইলে লাইনে দাড়িয়েই করোনা হয়ে যাবে।”

