আমাদের ভারত, ১৪ অক্টোবর: দুর্গাপুর গণধর্ষণ কাণ্ডে এবার গ্রেপ্তার হলো নির্যাতিতার সহপাঠী বন্ধুও। ধৃত ওয়াসেফ আলি মালদার বাসিন্দা। পুলিশ জানাচ্ছে এই ঘটনার পর থেকেই ওই সহপাঠীর ভূমিকা তাদের স্ক্যানারের মধ্যেই ছিল।
মঙ্গলবার নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। আর তাতে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে সহপাঠীর বিরুদ্ধে। সেই তথ্য প্রমাণ পাওয়ার পরই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তখনই সহপাঠীর বক্তব্যে বেশ কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়ে। শেষমেষ তাকে গ্রেফতার করা হলো।
এর ফলে দুর্গাপুরে ডাক্তারি পড়ুয়াকে গণধর্ষণ মামলায় ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৬। এর আগে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এবার গ্রেপ্তার করা হলো নির্যাতিতার সহপাঠীকে।
মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে আসানসোল- দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার সুনীল কুমার চৌধুরী। তিনি জানান যে সহপাঠীর ভূমিকা সন্দেহে ঊর্ধ্বে ছিল না। এবার তাকেও গ্রেফতার করা হলো। বুধবার ধৃতকে আদালতে তোলা হবে।
পুলিশ কমিশনার বলেন, গণধর্ষণের পুনর্নির্মাণ করা হয়। অভিযুক্তদের ঘটনাস্থলে এনে পুনর্নির্মাণ করেছে পুলিশ। পরাণগঞ্জের ঝোপঝাড়ে ঘেরা অঞ্চলে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ঘটনার পুননির্মাণের কাজ করেন তদন্তকারী অফিসাররা। ঐদিন কী ঘটেছিল সবটা জানার চেষ্টা করে পুলিশ। ঘিরে ফেলা হয়েছে এই জঙ্গলে এলাকা। বুধবার অভিযুক্তদেরও মেডিকেল টেস্ট করা হবে।
একই সঙ্গে মঙ্গলবার ধৃত শেখ নাসির উদ্দিন ও শেখ রিয়াজ উদ্দিনের বাড়িতেও যায় পুলিশ। অভিযুক্তদের ঘরে গিয়ে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। বাজেয়াপ্ত করা হয় তাদের ব্যবহৃত জামা কাপড়।

