আশিস মণ্ডল, রামপুরহাট, ১৬ ডিসেম্বর: ফের লালন শেখের স্ত্রীকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করল সিআইডির প্রতিনিধি দল। শুক্রবার প্রায় তিনঘণ্টা ধরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তাঁরা যান রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে ময়নাতদন্ত নিয়ে হাসপাতালের পদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেন। তবে এদিনের তদন্ত নিয়ে কেউই মুখ খুলতে চায়নি।
১২ ডিসেম্বর বিকেলের দিকে সিবিআই হেফাজতে তাদের রামপুরহাট অস্থায়ী অফিসে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় লালন শেখের। ঘটনার পরের দিন থেকেই তদন্তভার নেয় সিআইডি। এর আগে লালন শেখ যে বাথরুমে গলায় গামছার ফাঁস দিয়ে ঝুলেছিল সেই সাওয়ার পাইপের ওজন ধারণের ক্ষমতা পরীক্ষা করেন। বাথরুমের দরজা ভেঙ্গে ঢুকতে হয়েছিল কিনা দরজা খোলা ছিল সে সব তদন্ত করে দেখেন। ওই দিন সিবিআই অস্থায়ী অফিসে লালনের সঙ্গে জাহাঙ্গীর শেখকে জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। শুক্রবার দুপুরের দিকে প্রথমে লালনের বাড়িতে যান সিআইডি প্রতিনিধি দল। সেখানে লালনের স্ত্রী রেশমা বিবির সঙ্গে তিনঘণ্টা ধরে কথা বলেন। সমস্ত বিষয়টি ভিডিও ক্যামেরা বন্দি করা হয়। এরপরেই রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে কথা বলেন হাসপাতালের আধিকারিকদের সঙ্গে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট নিয়ে সিআইডি আধিকারিকরা কথা বলেন বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে লালন শেখের মৃত্যুর পর গ্রামে আতঙ্কের ছাপ দেখা গিয়েছে। সন্ধ্যা হলেই গ্রামের বাসিন্দারা নিরাপদ জায়গায় চলে যাচ্ছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বগটুই গ্রামের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অকেজো সিসিটিভি গুলি পুনরায় সচল করা হয়েছে।

