স্বরূপ দত্ত, উত্তর দিনাজপুর, ১২ মে: শীতের মরসুমের অন্যতম ফসল বাঁধাকপি। কিন্তু মরসুম শেষ হয়ে গেলেও বাজারে চাহিদা রয়েছে বাঁধাকপির। ফলে ভরা গ্রীষ্মেও বাঁধাকপি চাষ করে মুনাফা করছে উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়ার চাষীরা।
অন্যান্য বাজারে বাঁধাকপি পাওয়া যায় না বললেই চলে। কিন্তু চাহিদা থাকায় সেই বাজার ধরার লক্ষ্যেই বাঁধাকপি চাষ করছেন তারা। এক্ষেত্রে তাদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে উত্তর দিনাজপুর কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরাও। তাদের পরামর্শ মতই বাঁধাকপি চাষ করছেন কৃষকরা। নিয়মমেনে ফলন করে এলাকার পাশাপাশি বাইরের বাজারেও বাঁধাকপি পাঠাচ্ছেন তাঁরা। মরসুম ব্যতীত সব্জি হিসেবে চাষ করে চাহিদাপূরণের ফলে লক্ষ্মীলাভও হচ্ছে তাদের। বাঁধাকপি ছাড়াও কচুর লতিও চাষ করছেন এলাকার কৃষকরা।

এবিষয়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে সহায়ক ভূমিকা নিয়েছেন উত্তর দিনাজপুর কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞরা। মূলত ফসলের সময়ের পরিবর্তন করে চাষে আগ্রহ বাড়ানো হচ্ছে।এতে করে চাষে নতুনত্বের পাশাপাশি তাঁরা অধিক উপার্জন করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞরা। উত্তর দিনাজপুর কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের বিষয়বস্তু বিশেষজ্ঞ ড. মৌটুসী দে জানান, ফসলের সময়ের পরিবর্তন করে চাষের আগ্রহ বাড়ানো হচ্ছে। চাষিরা যাতে ভালো মুনাফা পেতে পারেন। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে অনেক চাষি গরমের বাঁধাকপি ও কচুরলতি চাষ শুরু করেছেন।
চোপড়ার কুমারটোলা এলাকার কৃষক রবিন সিংহ জানান, তিনি গত তিন বছর ধরে গরমে বাঁধাকপি চাষ করেন। পাশাপাশি কচুর লতিও চাষ করেন। চাষ করে মুনাফা অর্জন করছেন তাঁরা। এই সময় বাজারে বাঁধাকপি পাওয়া যায় না। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মোটের ওপর ভালো মুনাফা হয়।

