আমাদের ভারত, ২ মার্চ: সাগরদিঘির উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে কংগ্রেস প্রার্থী জয়লাভ করেছে। তার কারণ হিসেবে বিজেপির রাজ্য সভাপতির বলেন, ওখানে বহু দিনের দাবি হচ্ছে সেখানে একজন মুসলিম বিধায়ক চাই, কারণ সেখানে সিংহভাগ ভোটার মুসলিম। এছাড়াও অনুন্নয়নকে তিনি দায়ী করেছেন। তবে সুকান্তর দাবি, এই ফলাফলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মোটেই হতাশ নন বরং খুশি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বার বার বলেছেন, সিপিএম, কংগ্রেস এবং বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে জোট করেছে। এর বিরোধিতা করে সুকান্ত মজুমদার বলেন, নীতিগতভাবে তৃণমূল, সিপিএম এবং কংগ্রেসের অনেক বেশি কাছের। বিজেপি এদের থেকে অনেক বেশি আলাদা। স্বাভাবিকভাবে তাদের মধ্যে জোট হতে পারে। আমাদের সাথে কংগ্রেস কিংবা সিপিএমের কোনো জোট হওয়া সম্ভব নয়। একই সঙ্গে তার দাবি, সাগরদিঘির ফলাফলে মুখ্যমন্ত্রী খুব বেশি হতাশ হননি, মনে মনে আনন্দই পাচ্ছেন। কারণ কংগ্রেস এবং সিপিএম সংখ্যায় বাড়লে মুখ্যমন্ত্রীর সুবিধা। যেহেতু বিরোধী ভোটে সিংহভাগ বিজেপির সঙ্গে আছে তার ফলে আমজনতাকে বিভ্রান্ত করা যাবে যে বিরোধী কে? সেই দিক থেকে দেখলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনোবাসনা বিরোধী ভোট ভাগ হোক এবং তাতেই তৃণমূল কংগ্রেস রাজ করবে।
সুকান্ত মজুমদার বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাইছিলেন সাগরদিঘিতে কংগ্রেস জিতুক, যাতে বিরোধী ভোটকে ভাগ করে দেওয়া যায়। রাজ্যে বিরোধী দল হিসেবে কংগ্রেস, সিপিএমের কোনো প্রতিনিধিত্ব ছিল না। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী বহুবার বলে এসেছেন বিজেপির থেকে কংগ্রেস কিংবা সিপিএমের ভোট বাড়লে তারা খুশি হবেন। ফলে এই ফলাফলে খুশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

