রাজেন রায়, কলকাতা, ১৩ মে: করোনা আক্রান্ত হয়ে করোনা মুক্ত হওয়ার ৬ মাস পর পর্যন্ত ভ্যাকসিন নেওয়ার প্রয়োজন নেই। সরকারি প্যানেলে এমনই প্রস্তাব রেখেছে ন্যাশনাল ইমিউনাইজেশন টেকনিক্যাল এন্ড অ্যাডভাইসারি গ্রুপ। তবে এখনও অনুমোদন পায়নি। এই সুপারিশগুলির বাস্তবায়নের আগে অনুমোদনের জন্য ভ্যাকসিন প্রশাসনের জাতীয় বিশেষজ্ঞ গ্রুপের কাছে পাঠানো হবে। তবে এই সুপারিশ কতটা যুক্তি সঙ্গত?
অন্যদিকে কোভিশিল্ডের ক্ষেত্রে একটা ডোজের পরবর্তী ডোজ ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহের মধ্যে নেওয়ার সুপারিশ বৃহস্পতিবারের প্যানেলে। অর্থাৎ বলা যায়, কোভিশিল্ডের দুটি ডোজের মধ্যে সময়সীমা বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। তবে কোভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে এরকম কোনও বদলের কথা বলা হয়নি। এতদিন দুটো ভ্যাকসিনের উভয় ডোজের মধ্যবর্তী সময়সীমা ছিল ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ। – ১) ব্যবধান বাড়ানো হলে কতটা কার্যকর হবে ভ্যাকসিন, ২) শুধু কোভিশিল্ডের ক্ষেত্রে ব্যবধান বাড়ানো হচ্ছে, কোভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে নয় কেন? তবে কি দুটি ভ্যাকসিনের মধ্যে পার্থক্য আছে? ৩) এতে কোভিশিল্ডের চাহিদা আরও বাড়বে না কি অন্যদিকে যারা প্রথম ডোজ কোভ্যাকসিন নিয়েছিল তারা কি দ্বিতীয় ডোজ কোভিশিল্ড নিতে পারেন? যদি ৬ সপ্তাহের মধ্যে কোভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ না পায় তবে তারা কি করবেন? এমনই প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে।

