আমাদের ভারত, ১৫ জুলাই: জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী আগামী বছর থেকে সিবিএসসি বোর্ড পরীক্ষার মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় একাধিক পরিবর্তন হতে চলেছে। কিছু কিছু স্কুলে ইতিমধ্যেই এর কয়েকটি বদল চালু হয়েছে। অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে বোর্ডের আওতাভুক্ত বাকি সমস্ত স্কুলে তা চালু হবে বলে জানাগেছে।
কী কী পরিবর্তন আসতে চলেছে? ১ম সমস্ত বিষয়ের উপর ২০ শতাংশ ইন্টার্নাল অ্যাসেসমেন্ট হবে। এই তালিকায় সেই সমস্ত বিষয়ও থাকছে যাতে কোনো প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা থাকে না। সিবিএসসি সচিব অনুরাগ ত্রিপাঠী জানিন, বছর শেষে কেবল মাত্র তিন ঘণ্টার একটি পরীক্ষা দিয়ে কখনো কোনো ছাত্র বা ছাত্রীর পারদর্শিতা বিচার করা যায় না। তাই ইন্টার্নাল অ্যাসেসমেন্ট আভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের জন্য জরুরি। এই মূল্যায়নে দায়িত্বপালন ভার থাকছে শিক্ষক-শিক্ষিকা অভিভাবকদের ওপর।
২য়, প্রশ্নপত্রে কাঠামোগত বদল হবে। ৩৩ শতাংশ বেশি প্রশ্ন থাকবে। যাতে পড়ুয়ারাদের বিকল্প বেছে নেওয়ার সুযোগ বেশি থাকে। ৩য়, প্রশ্নের ধরনেও বদল আসবে। পড়ুয়াদের কর্মদক্ষতা পারদর্শিতা ফুটে ওঠে এমন ধরনের প্রশ্ন বেশি করে থাকবে। ৪থ, তৃতীয় পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে অ্যাসেসমেন্ট সার্ভে হবে পড়ুয়ার। ৫ম, পড়ুয়াদের জন্য আনা হবে হলিস্টিক অ্যাসেসমেন্ট কার্ড।
ত্রিপাঠি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই কিছু কিছু স্কুলের পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে অ্যাসেসমেন্ট কার্ড চালু হয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে একজন পড়ুয়ার যথাযথ মূল্যায়ন হবে। শিক্ষক-শিক্ষিকা অভিভাবক ছাড়া অন্য পড়ুয়ারাও এই প্রক্রিয়ায় শামিল হবে। একইসঙ্গে আবার সেই পড়ুয়া আত্মমূল্যায়ন করতে পারবে। এর লক্ষ্য একজন পড়ুয়ার ৩৬০° মূল্যায়ন নিশ্চিত করা।
জানা গেছে, সিবিএসসির তরফে আগামী বছর থেকে নির্বাচিত কিছু স্কুলে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবেই সমস্ত সংস্কার বিধি চালু হবে। তারপর ২০২৪ সাল থেকে বোর্ডের আওতাভুক্ত সমস্ত স্কুলে এই পরিবর্তিত বিধি চালু হয়ে যাবে।

