কি ভাবে হবে সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফলের মূল্যায়ন? সুপ্রিম কোর্টে প্রস্তাব বোর্ডের, ৩১ জুলাই চূড়ান্ত ফলাফল

আমাদের ভারত, ১৭ জুন:দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফল মূল্যায়ন পদ্ধতি কী হবে তার প্রস্তাব সুপ্রিম কোর্টে জমা করে সিবিএসই বোর্ড। পূর্ববর্তী ৩ বছরের মেধার ভিত্তিতেই মুল্যায়ন হবে বলে জানায় সিবিএসই বোর্ড কর্তৃপক্ষ। আগামী ৩১ জুলাই-এর মধ্যেই জানানো হবে পরীক্ষার ফলাফল।

দেশে করোনা পরিস্থিতিতে মূলত দুই বছর ধরে বন্ধ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই অবস্থায় দশম ও দ্বাদশ শ্রেনীর মত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা কীভাবে সম্পাদন করা হবে সে নিয়ে বহু আলোচনা চলেছিল। তবে অবশেষে পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে পরীক্ষা বাতিলের ঘোষণার পরই রেজাল্ট ও তার মূল্যায়ণ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে।
সিবিএসই বোর্ড দ্বাদশ শ্রেণীর ফলাফল সংক্রান্ত রিপোর্টে জানায়, পড়ুয়াদের পূর্ববর্তী ৩ বছরের মেধার ভিত্তিতেই মুল্যায়ন হবে দ্বাদশ শ্রেণীর নম্বর। দশম এবং একাদশ শ্রেণীর চূড়ান্ত পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া তিনটি বিষয়কে বেছে নিয়ে তার ভিত্তিতে ৩০ শতাংশ করে, দ্বাদশ শ্রেনীর ক্ষেত্রে ইউনিট পরীক্ষা, টার্ম পরীক্ষা এবং প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ৪০ শতাংশ মিলিয়ে প্রস্তুত হবে দ্বাদশ শ্রেণীর চূড়ান্ত ফলাফল বলে সিবিএসই সূত্রে জানান হয়েছে।

এছাড়া প্রস্তাবে এও বলা হয়েছে যে যদি কোন পড়ুয়া প্রাপ্ত নম্বরে অসন্তুষ্ট থাকে তাহলে সে পুনরায় স্ব-শরীরে পরীক্ষা দিতে পারে। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে সেই পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। এর জন্য পড়ুয়াদের সংশ্লিষ্ট কমিটির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপাল আদালতে জানিয়েছেন যে, মূল্যায়নের জন্য প্রতিটি স্কুলকে তার শিক্ষকদের নিয়ে রেজাল্ট কমিটি গঠন করতে হবে। যেহেতু কিছু কিছু স্কুলে বেশি নম্বর দেওয়ার রীতি আছে তাই সে ক্ষেত্রে সিবিএসই এবং আইসিএসই-র মডারেশন কমিটি গঠন করা হবে যারা স্কুল ভিত্তিক মূল্যায়নের তদারকি করবে।
গত ১ জুন সিবিএসই বোর্ড দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা বাতিলের ঘোষণার পর মূল্যায়ন পদ্ধতির বিষয়ে সিদ্ধন্ত নেওয়া এবং তার রিপোর্ট আদালতে জানাতে নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। জুনের ১৫ তারিখ সেই মূল্যায়ন পদ্ধতি ঘোষণার কথা ছিল, তবে দু’দিন পর আজ মূল্যায়ন পদ্ধতির রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে পেশ করে সিবিএসই।
একই ভাবে ৭ জুন রাজ্য সরকারও মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিলের ঘোষণা করেছিল। কেন্দ্রের মতো রাজ্যের মূল্যায়ণ পদ্ধতি নিয়ে সংশয় তৈরী হয় বিভিন্ন মহলে। তবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং উচ্চশিক্ষা পর্ষদ এই বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *