আমাদের ভারত, ২৭ মার্চ: বীরভূমের জেলা পুলিশ আধিকারিকদের ফোনের কললিস্ট চেক করা উচিত সিবিআইয়ের । বগটুই কান্ডে সিবিআই তদন্ত প্রসঙ্গে এমনই মন্তব্য করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বালুরঘাটে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন বিজেপি সভাপতি। একই সঙ্গে তিনি বলেন রাজ্য পুলিশ দিয়ে এই তদন্ত করানো মানে গুরুত্বপূর্ণ নথি ধামাচাপা দেওয়া।
সুকান্ত মজুমদার বলেন, বীরভূমের জেলা পুলিশ আধিকারিকদের মোবাইলের কল লিস্ট যদি চেক করা যায় তাহলে পরিষ্কার হয়ে যাবে কার নির্দেশে এত বড় ঘটনা ঘটেছে। বালুরঘাটে দলীয় কর্মীসূচির পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সুকান্ত মজুমদার বলেন, পুলিশ দিয়ে তদন্ত করানো মানে এই ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ নথি চাপা দেওয়া। ঠিক যেমন করে সারদা মামলায় লাল ডায়েরির কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য হাইকোর্টের নির্দেশের পরেই শনিবার ঘটনাস্থলে গেছে সিবিআই। রামপুরহাট কাণ্ডে সিট গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু সিটের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মামলাকারীরা। এরপর হাইকোর্ট জানিয়ে দেয় রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা করা হবে না। এই ঘটনার তদন্ত করবে সিবিআই। রাজ্যের গঠিত সিট ঘটনার তদন্ত করতে পারবে না বা তদন্তের স্বার্থে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারবে না। এই রায়ের পর শনিবার রামপুরহাটের বগটুই গ্রামের পৌঁছান সিবিআইয়ের ডিআইজি নেতৃত্বে ৩০ জন আধিকারিকের দল।
রামপুরহাট ঘটনাস্থলে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন অবিলম্বে আনারুলকে গ্রেপ্তার করতে হবে। হয় আনারুল আত্মসমর্পণ করুক অথবা যেখান থেকে হোক আনারুলকে গ্রেফতার করা হোক। এরপরই তারাপীঠ থেকে আনারুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু আনারুলকে গ্রেপ্তার করার প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন আনারুলকে গ্রেপ্তার করা মানে তথ্য প্রমাণ লোপাট করা।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আনারুলকে গ্রেপ্তার করার পরেও রাঘব বোয়ালদের আড়াল করতেই আনারুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে প্রথম থেকেই সরব বিজেপি।

