ঝালদায় এসডিপিও’কে জেরা সিবিআইয়ের

সাথী দাস, পুরুলিয়া, ৯ এপ্রিল: তপন কান্দুর খুনের ঘটনার তদন্তে সিবিআইয়ের জেরার মুখে পড়লেন ঝালদার এসডিপিও সুব্রত দেব। আগের কয়েকদিনের মতো শনিবারও সকাল থেকেই শুরু হয়ে যায় তদন্তের কাজ। এদিন ঝালদার ফরেস্ট গেস্ট হাউসে সিবিআইয়ের অস্থায়ী শিবিরে ডেকে পাঠানো হয় ঝালদার এসডিপিও সুব্রত দেবকে। ডেকে পাঠানো হয় ঘটনার দিন এলাকায় নাকা চেকিংয়ের দায়িত্বে থাকা পাঁচ পুলিশ কর্মীকেও। তাঁদের বয়ান নথিবদ্ধ করা হয় বলে সূত্রের খবর। বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ হয় এক জন ব্যাঙ্ক আধিকারিকের কাছ থেকেও। অল্প সময়ের জন্য ডাকা হয় মৃতের ভাইপো মিঠুন কান্দুকে। তবে বেশ কিছুক্ষণ জেরা করা হয় ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী প্রদীপ চৌরাশিয়াকেও। এদিন প্রায় এক ঘন্টা জেরা করা হয় এসডিপিও-কে। তবে তাকে কী জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে সে নিয়ে কোনো মন্তব্য তিনি করতে চাননি। শুধু বলেন, ডেকে পাঠানো হয়েছিল তাই এসেছিলেন।

জিজ্ঞাসাবাদ জারি রাখলেও তপন কান্দুর হত্যা মামলায় সিটের গ্রেফতার করা চার অপরাধীকে নিজেদের হেফাজতে নেবার প্রক্রিয়া কিছুটা ধাক্কা খায় এদিন। সিবিআইয়ের আইনজীবী এবং এক আধিকারিক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে এসে দেখেন পুরুলিয়া জেলা আদালত বন্ধ রয়েছে।

সূত্র মারফৎ জানা গেছে, ঝালদায় খুনের ঘটনায় গ্রেফতার চার অভিযুক্ত দীপক কান্দু, নরেন কান্দু, মহঃ আশিক খান এবং কলেবর সিংকে নিজেদের হেফাজতে নেবার উদ্যোগ শুরু করেছে সিবিআই। গতকালই এদের মধ্যে প্রথম জন বাদ দিয়ে বাকি তিন জনকে আদালতে হাজির করেছিল জেলা পুলিশ। আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজেদের হেফাজত থেকে জেল হেফাজতেও পাঠিয়ে দেওয়া হয় তাদের। এদিন আদালতে আবেদন করে এই চার অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নেবার কথা ছিল সিবিআই’য়ের। আদালত বন্ধ থাকায় বিচারকদের আবাসনে গিয়ে পৌঁছন সিবিআইয়ের আইনজীবী সহ আধিকারিকরা। সেখানে অবশ্য কাজ হয়নি। রবিবার তাদের থার্ড কোর্ট শেরিং ছোড়েনের এজলাসে উপস্থিত হতে বলা হয়। এদিন অবশ্য তদন্ত সম্বন্ধ্যে যথারীতি কোনো কথাই বলেননি সিবিআই আধিকারিকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *