মসজিদে কি জোর করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঢুকতে পারবে? প্রশ্ন দিলীপ ঘোষের

পার্থ খাঁড়া, মেদিনীপুর, ১৪ জুন: ঠাকুরনগরের সফর নিয়ে অভিষেকের তীব্র সমালোচনা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কি জোর করে মসজিদে ঢুকতে পারবে?
পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকারের এসসি, এসটি এবং ওবিসি কমিশন এর রিপোর্ট অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গ সরকার অনৈতিকভাবে মুসলিমদের ওবিসি এ ক্যাটাগরি এবং হিন্দুদের ওবিসি বি ক্যাটাগরি করেছে।

ঠাকুরনগরে অভিষেকের সফর প্রসঙ্গে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি বলেন, মতুয়া সমাজের বিনা অনুমতিতে জোর করে মন্দিরে ঢোকার চেষ্টা করেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্দিরে পুলিশ বাহিনী পাঠানোয় মতুয়াদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। পুলিশ দিয়ে জোর জবরদস্তি করতে গেলে মতুয়ারা মন্দির রক্ষার জন্য চেষ্টা করে।

ঠাকুরবাড়ি এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী যাওয়ার কড়া সমালোচনা করে দিলীপবাবু বলেন, পুলিশ নিয়ে এসব বাড়াবাড়ি করা বেআইনি কাজ। কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে জোর করে প্রবেশ করা যায় না। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ প্রশ্ন করেন, মুসলিমদের মসজিদে জোর করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কি ঢুকতে পারবে? তার কি সেই ক্ষমতা আছে? বিনা অনুমতিতে সেখানে কেন গিয়েছিল? তাদের গুরুকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপমান করেছেন, এই অবস্থায় তাদের সংঘাধিপতিকে না জানিয়ে মন্দিরে যাওয়ার অনুমতি তাকে কে দিয়েছে?

মঙ্গলবার মেদিনীপুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বিজেপি সাংসদ বলেন, সীমান্ত রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের সমস্যা হলো বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গাদের ওবিসি শংসাপত্র দেওয়া হচ্ছে। ফলে তারা কেন্দ্রীয় যোজনা সুবিধাগুলি পেয়ে যাচ্ছে। রাজনীতির জন্য তৃণমূল এ রাজ্যে এসব করছে।

সীমান্ত এলাকায় হিন্দু মহিলাদের মুসলিম করা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, দেশ জুড়ে লাভ জিহাদ চলছে। পশ্চিমবঙ্গে সেটা বেশি করে হচ্ছে। রাজ্য সরকার সমস্যার সমাধান চায় না। তিনি বলেন এক্ষেত্রে বড় সমস্যা হচ্ছে এরাজ্য থেকে বাংলাদেশে সহজেই বিয়ে করে নিয়ে যাচ্ছে। হিন্দুদের সুরক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তা এইসব কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে। রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকট তৈরি হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *