আমাদের ভারত, ৩১ আগস্ট: নিরাপত্তায় কলকাতার কৌলিন্য সম্পর্কে ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর ২০২১ সালের রিপোর্ট সম্পর্কে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করেছেন। কিন্তু প্রকাশ্যেই এতে ভিন্নমত পোষন করেছেন নেট নাগরিকদের একটা বড় অংশ।
সামাজিক মাধ্যমে অভিষেকের পোস্ট আসার ১০ ঘন্টায়, বুধবার বেলা ১০টায় লাইক, মন্তব্য ও শেয়ার হয়েছে যথাক্রমে ১ হাজার, ২১৬ ও ৪২।
ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর ২০২১ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতায় খুনের মামলা রুজু হয়েছে ৪৫টি। আর দিল্লিতে এই সংখ্যা ৪৫৪। কলকাতায় নারী নির্যাতনের মামলা হয়েছে ১২৭টি। আর দিল্লিতে রুজু হওয়া নারী নির্যাতনের মামলার সংখ্যা ১ হাজার ২৩। তাই ট্যুইটারে অভিষেক লেখেন, ‘কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর হাতে এখন দু’টি কাজ। বাড়িতে ছেলেকে জাতীয়তাবাদের শিক্ষা দেওয়া এবং তাঁর অধীনস্থ পুলিশ ব্যবস্থা সাজানো। দিল্লিতে ভয়ঙ্কর অপরাধের হার আমাদের বিস্মিত করেছে। ইডি-কে নিয়ে পুতুলখেলার বদলে, বাংলায় সরকার পরিচালনার মডেল থেকে তাঁর শিক্ষা নেওয়া উচিত।’
তাপস কুমার বিশ্বাস লিখেছেন, “খুবই ভালো সংবাদ। কিন্তু ভাইপো, এদেশের ৭০-৮০ শতাংশ নারী পাচার বাংলা থেকেই হয়। সেটা খুবই গর্বের কি?“
স্বর্নময় জানা লিখেছেন, “কিন্তু মহিলাদের উপর অ্যাসিড হামলায় বাংলার স্থান প্রথম। এই লজ্জাতে কোথায় মুখ ঢাকবে অভিষেক আর মমতা?”
বিপাশা দাশগুপ্ত লিখেছেন, “এটা ফাঁকিবাজি রিপোর্ট। আসলে এরা মহিলাদের উপর হওয়া নির্যাতনগুলো পুলিশের ডায়েরিতে নথিভুক্তই করে না, তাহলে কেন্দ্র সরকার আসল রিপোর্ট পাবে কোত্থেকে?“
সঞ্জয় কার্জি লিখেছেন, “কিন্তু নারী এবং শিশু পাচারে পশ্চিমবঙ্গ দ্বিতীয়। এটা তো বলছেন না। মীর হাস আলি লিখেছেন, “কলকাতা নিয়াপদ ঠিকই কিন্তু কলকাতা বেকারত্ব, নোংরা জঞ্জাল এবং ফুটপাতবাসী গরিব মানুষের তালিকাতেও দেশের শীর্ষে।“ কৈলাশ মণ্ডল লিখেছেন, “সারা ভারতবর্ষের মাটিতে চোরের দল হিসাবে একনম্বর আছে বাংলা এতটা গর্ব রাখবেন কোথায়?”

