“রামের কথা যখন মনে পড়ল, ততক্ষনে পশ্চিমবঙ্গ শশ্মানে পরিণত হয়েছে”, শাসকদলের রামনবমী পালন প্রসঙ্গে কটাক্ষ দিলীপের

জয় লাহা, দুর্গাপুর, ১০ এপ্রিল: ‘হুমকি আর ভয়কে মূলধন করে তৃণমূল ভোটে জেতে। যারা খুন, সন্ত্রাস করে, তারা রামনবমীর কি বোঝে? ওরা একটু দেরিতে বোঝে। যখন তাদের রামের কথা মনে পড়ল। ততক্ষনে পশ্চিমবঙ্গ শশ্মানে পরিণত হয়েছে।’ রবিবার দুর্গাপুরে রামনবমীর শোভাযাত্রায় যোগ দিতে এসে তৃণমূলের রামনবমী পালনকে এভাবেই কটাক্ষ করলেন বিজেপির
সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। 

উল্লেখ্য, আগামী ১২ এপ্রিল আসানসোল লোকসভার উপনির্বাচন। আর কয়েকদিন পরই ভোটদান। আসানসোল লোকসভা দখলে মরিয়া তৃণমূল ও বিজেপি। আর সেই কারণে প্রচার শুরু হয়েছে জোরকদমে। কেউ তারকাদের দিয়ে প্রচার করছে তো আবার কোনো দল অন্য রাজ্যের মন্ত্রীদের দিয়ে প্রচার শুরু করেছে। রবিবার ছিল শেষ প্রচারের দিন। গত তিনদিন ধরে আসানসোল লোকসভা উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারের জন্য দুর্গাপুরে রয়েছেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ। রবিবার অন্ডালের উখড়া ও দুর্গাপুর মায়াবাজারে রামনবমীর শোভাযাত্রায় অংশ নেন তিনি। দুর্গাপুরের মায়াবাজারে রামভক্তদের সঙ্গে লাঠি খেলায় অংশ নেন।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আসানসোল উপনির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে তোপ দাগেন। তিনি বলেন,” হুমকি ছাড়া, ভয় ছাড়া তৃণমূল ভোটে জিততে পারবে না। গত দুদিন ধরে অন্ডাল, পান্ডবেশ্বর ঘুরলাম। ভয়ের পরিবেশ রয়েছে। পুলিশ, গুন্ডা দিয়ে ভোট লুট করবে। হুমকি দিয়ে, ভয় দেখিয়ে বিজেপির ভোটারদের আটকে রাখবে। হুমকি আর ভয়টাকে মূলধন করে তৃণমূল ভোটে জেতে।” এদিন তৃণমূলের রামনবমী পালনকে তীব্র কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন,” যারা খুন, সন্ত্রাস করে, তারা রামনবমীর কি বোঝে? ওরা একটু দেরিতে বোঝে। সুমতি হোক। যখন তাদের রামের কথা মনে পড়ল। ততক্ষনে পশ্চিমবঙ্গ শশ্মানে পরিণত হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন,” রামনবমী সবারই পালন করা উচিৎ। বিজেপি রামভক্ত পার্টি। রামনবমী আমাদের বড় উৎসব। গর্বের উৎসব। সামাজিক উৎসবের দিন। গত বছর থেকে বহু প্রতিক্ষিত অযোধ্যায় রাম মন্দির শুরু হয়েছে। তাই এবারে ডবল আনন্দ উৎসব।” তিনি আরও বলেন,” রামের রাজত্ব ও রামের আদর্শ প্রতিষ্ঠিত হলে বাংলার মানুষের জীবন ধন্য হবে। দুর্নীতি, হিংসা, খুন বন্ধ হবে।” 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *