আমাদের ভারত, ২৬ মার্চ: ১ এপ্রিল বাঁকুড়া কোতুলপুর বিধানসভায় নির্বাচন। আর ভোটের মাত্র পাঁচ দিন আগে ঐ বিধানসভা এলাকার এক তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনায় ৪ জন আহত। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ ভোটের আগে সন্ত্রাস সৃষ্টি করতে বোমা তৈরির কাজ হচ্ছিল ওখানে। শাসক দলের পাল্টা দাবি সংযুক্ত মোর্চা হামলা চালিয়েছে তাদের কার্যালয়ে।
জানা গেছে, ভরদুপুরে বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে বাঁকুড়ার কোতুলপুর বিধানসভা অন্তর্গত জয়পুরের মুন্সীগঞ্জে তৃণমূল কার্যালয়। বিস্ফোরণে আহত ৪ জন। এলাকাবাসী ও বিরোধীদের অভিযোগ পার্টি অফিসে বোমা বাঁধার সময় তা ফেটে যায়, আর তাতেই আহত হন। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি আইএসএফ ও সিপিএম একযোগে দলীয় কার্যালয়ে বোমাবাজি করে।
এলাকার এক বাসিন্দা সূত্রে খবর,মুন্সীগঞ্জে তৃণমূলের পার্টি অফিসে বিস্ফোরণ ঘটে তিনটে নাগাদ। বোমা ফাটার পরেই পার্টি অফিস থেকে লোকজন চলে যায়। জানা যায় ৫-৬ জন ওখানে বোমাবাধার কাজ করছিল। এলাকার মানুষ ঘটনাটি মিডিয়াকে জানায় ও পুলিশে খবর দেয়।
এ ঘটনায় তৃণমূলের জেলা সভাপতি শ্যামল সাঁতরা বলেন, ওই জায়গাটি তাদের শক্ত ঘাঁটি, এলাকায় সন্ত্রাস সৃষ্টি করতে মিলিতভাবে তৃণমূল কার্যালয়ে বোমা বাজি করছে সিপিআইএম ও আইএস এফ। অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকার বলেন, তৃণমূল মিথ্যা কথা বলছে, ভোটের আগে আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য বোমা বাধা হচ্ছিল তৃণমূল পাটি অফিসে সেটাই ফেটে যায়।
পশ্চিমবঙ্গে ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন করাই নির্বাচন কমিশনের কাছে কার্যত চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্পর্শ কাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে অনেক আগে থেকেই। তবুও একাধিক জায়গায় রাজনৈতিক সংঘর্ষ, বোমাবাজির মতো ঘটনা ঘটছে। তবে বাঁকুড়ার তৃনমূল কার্যালয়ের ভেতরে বোমা বিস্ফোরণের এই ঘটনা এই পরিস্থিতিতে একটা অন্যমাত্রা দিল।

