পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৩ মার্চ: ‘ঘুমিয়ে ছিলাম’। হঠাৎই আমার বাড়িতে পরপর দুটো বোমা বিস্ফোরণ হয়। অভিযোগ হুমায়ুন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (এজেইউপি)-র পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সভাপতি ইব্রার হোসেনের। ইব্রারকে খড়্গপুর গ্রামীণ বিধানসভার প্রার্থী ঘোষণাও করেছেন হুমায়ুন। শুক্রবার সকালে সেই ইব্রার অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার রাত দেড়টা- দুটো নাগাদ তাঁর খড়্গপুর গ্রামীণের সাদাতপুরের বাড়িতে বোমাবাজি করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগের তীর শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে।

ইব্রার হোসেন বলেন, ‘মনে হচ্ছে আমাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে পারছে না বলেই শাসক দল তৃণমূলের লোকেরা প্রাণে মেরে ফেলতে চাইছে।’ যদিও, অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূলের বক্তব্য, ‘কে ইব্রার হোসেন? চিনি না।’
ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে পুলিশের তরফে। প্রাথমিকভাবে ‘শব্দবাজি’ বলেই জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার পলাশ চন্দ্র ঢালি।
শুক্রবার ইব্রার বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে খাওয়াদাওয়ার পর তারা ঘুমোতে চলে যান। হঠাৎই পরপর দু’টি বোমা বিস্ফোরণের শব্দে তাঁর বাড়ি কেঁপে ওঠে। রাতেই খবর দেওয়া হয় খড়্গপুর গ্রামীণ থানার অধীন সাদাতপুর ফাঁড়িতে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। নমুনা সংগ্রহ করেও নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
জেলা পুলিশ সুপার পলাশ চন্দ্র ঢালি জানিয়েছেন, ‘রাতেই পুলিশ গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেছে। প্রাথমিক তদন্তের পর শব্দবাজি বলেই মনে হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তদন্তে সবদিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

তৃণমূলের মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, ‘উনি (ইব্রার হোসেন) তো একজন ক্রিমিনাল বলে শুনেছি। ক্রিমিনালদের মধ্যে কী হয়েছে, তা নিয়ে তৃণমূলকে জড়িয়ে কোনো লাভ নেই।’

