জে মাহাতো, আমাদের ভারত, ঝাড়গ্রাম, ৩০ জুন: ঝাড়গ্রাম পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের চাঁদাবিলা এলাকায় মঙ্গলবার গভীর রাতে এক গৃহবধূকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা তার বাড়ির ভেতরে ওই গৃহবধূর রক্তাক্ত মৃতদেহ দেখতে পায়। মৃত গৃহবধূর নাম মাইনো মান্ডি, বয়স ৩৫।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাত্র ৬ মাস আগে ঝাড়গ্রাম জেলার জামবনি ব্লকের আস্তাপাড়া গ্রামের শ্বশুর বাড়ি থেকে পালিয়ে আসে মাসাং মান্ডির স্ত্রী মাইনো মান্ডি। বিনপুর থানার সারেঙ্গাসুলি গ্রামের যুবক বাপি হেমব্রমের সঙ্গে ঝাড়গ্রাম শহরের চাঁদাবিলা এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন তিনি। বাপি হেমব্রম ঝাড়গ্রামের বরিয়া এলাকায় রেশমি সিমেন্ট কারখানায় কাজ করে।
প্রতিদিনের মত মঙ্গলবার রাতে সে কাজে চলে যায়। বুধবার সকালে লোকমুখে শুনে বাপি বাড়ি এসে দেখে ওই গৃহবধূ রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ির মধ্যে পড়ে রয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দারা ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশকে বিষয়টি জানায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ঝাড়্গ্রাম থানার পুলিশ।
তার প্রথম পক্ষের স্বামী তাকে খুন করেছে বলে প্রাথমিকভাবে স্থানীয় বাসিন্দারা অনুমান করেন। প্রথম পক্ষের স্বামীর সাথে ওই গৃহবধূর মাঝে মধ্যেই ফোনে কথা হতো বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান। ঝাড়্গ্রাম থানার পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত জন্য পাঠায়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। কে বা কারা ওই গৃহবধূকে নৃশংস ভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করেছে তা খতিয়ে দেখার জন্য ঝাড়্গ্রাম থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

