জে মাহাতো, আমাদের ভারত, মেদিনীপুর, ৩১ আগস্ট:
সোমবার সমাজসেবা ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বর্ষপূর্তি উদযাপন করল মেদিনীপুরের অগ্রণী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সংকল্প ফাউন্ডেশন। করোনা পরিস্থিতিতে রক্তের সংকট প্রবল। রাজ্যে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুর সংখ্যাও বহু। বর্ষপূর্তিতে তাদের রক্তের সংকট কিছুটা হলেও মেটাতে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এদিন সকালে মেদিনীপুর শহরের বিদ্যাসাগর মেমোরিয়াল হলে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। শিবিরে ৫ জন মহিলা সহ মোট ৩৫ জন রক্তদান করেন।

কর্মসূচির শুরুতে সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করা হয়। প্রদীপ জ্বেলে কর্মসূচির সূচনা করেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডা: ভুবন চন্দ্র হাঁসদা। প্রথম পর্বের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমাজকর্মী সাহিত্যিক রোশেনারা খান। প্রধান অতিথি হিসেবে ভারত সেবাশ্রমের মেদিনীপুর শাখার স্বামী মিলনানন্দ মহারাজ, বিশেষ অতিথি হিসেবে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিভাগের ডিন অধ্যাপক সত্যজিৎ সাহা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ছিলেন উদ্যোগপতি আনন্দ গোপাল মাইতি, উদয় রঞ্জন পাল, ব্লাড ডোনার্স ফোরামের জেলা সভাপতি অসীম ধর ও জেলা সম্পাদক জয়ন্ত মুখার্জি, সমাজকর্মী ঝর্ণা আচার্য, লক্ষণ চন্দ্র ওঝা, মনিকাঞ্চন রায়, নরসিংহ দাস, জগন্নাথ পাত্র প্রমুখ। স্বাগত ভাষণ দেন সংকল্পের সম্পাদিকা পারমিতা সাউ। বক্তব্য রাখেন উপদেষ্টা গোপাল সাহা, ডিরেক্টর ডঃ শান্তনু পান্ডা। সমবেত অতিথিদের হাত ধরে একটি স্মরণিকা প্রকাশিত হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা স্বাতী বন্দ্যোপাধ্যায়।
দ্বিতীয় পর্যায়ে সারা বাংলা অনলাইন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ, কোভিড যোদ্ধা সম্মাননা দেওয়া হয়। দ্বিতীয় পর্বের উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা শাসক কেম্পাহুন্নাইয়া। অতিথি হিসেবে ছিলেন চিকিৎসক ডাঃ সন্ধ্যা মন্ডল ধাড়া। কোভিড যোদ্ধা সন্মাননা প্রদান করা হয় চিকিৎসক ডাঃ প্রবোধ পঞ্চধ্যায়ী, ডাঃ সমরেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠি, ডা: নিতাই চন্দ্র হুতাইত, সমাজকর্মী সাংবাদিক সুদীপ খাঁড়া, সাংবাদিক সেখ মহম্মদ ইমরান, সময় বাংলার কর্ণধার জয়ন্ত মন্ডল, সাংবাদিক এবং দৈনিক উপত্যকা পত্রিকার সম্পাদক তাপস মাইতি, সাংবাদিক বিশ্বনাথ দাস, সাংবাদিক সৌমেন চক্রবর্তী, সহ অন্যান্যদের।

এছাড়াও এদিন দশজন অটো চালককে “কোভিড যোদ্ধা” সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। এই পর্বে অনলাইন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় সফল ৩৯ জন সফল প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার ও শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ের সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডঃ শান্তনু পাণ্ডা। সঙ্গীত শিল্পী দীপেশ দে’র নেতৃত্বে “হৃদ মাঝারে” বাংলা ব্যান্ড সংগীত পরিবেশন করে।

