মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই সিএএ প্রয়োগ! একনজরে বিজেপির সোনার বাংলা সংকল্প পত্র

আমাদের ভারত, ২২ মার্চ: রজ্যে ক্ষমতায় এলে কী কী করবে তা প্রকাশ করল বিজেপি। একে তারা নির্বানী ইস্তাহার না বলে সোনার বাংলা সংকল্প পত্র বলছে। তাতে প্রথমেই মহিলাদের জন্য একাধিক ঘোষণা করেছে। রয়েছে কৃষক, ভূমিহী চাষি এবং জেলেদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা। প্রতি পরিবারের কমপক্ষে একজনকে চাকরি সহ যুবদের নানা সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আম্ফান, বুলবুল, আইলার ত্রাণের ক্ষতিপুরণের দুর্নীতি এবং রেশন, চিটফান্ড কান্ডের তদন্ত করা হবে। সরকারি কাজে বাংলা বাধ্যতামূলক, পুরোহিত এবং কীর্তনীয়া, মতুয়াদলপতিদের জন্য পেনসন চালু করবে বিজেপি। মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই নাগরিকত্ব সংশোধন আইন(সিএএ) প্রয়োগ করা হবে।

মহিলাদের জন্য বিজেপির সংকল্প:
……………………………………………
রাজ্য সরকাির চাকিরিতে মহিলাদের ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ

প্রাথমিক থেকে স্নাতকোত্তর (কেজি থেকে পিজি) পর্যন্ত মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা

সমস্ত মহিলাদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যপরিষেবা দেওয়া, যার মধ্যে থাকবে ওপিডি ও উন্নত পরিষেবা

সমস্ত মহিলা বিনাভাড়ায় সবরকম সরকারি যানবাহনে যাতায়াত করতে পারবে

মিশন আত্মনির্ভর– মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির জন্য ̂৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ

বালিকা আলো – মেয়েদের অবিচ্ছিন্ন আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে এবং ১৮ বছর বয়েস ২ লক্ষ টাকা পাবে

বিধবা ভাতা প্রতি মাসে ১,০০০ থেকে বাড়িয়ে ৩,০০০টাকা

রাজ্য পুলিশে ৯টি মহিলা পুলিশ ব্যাটেলিয়েন গঠন এবং রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীতে ৩টি মহিলা ব্যাটেলিয়ন

কৃষকদের জন্য বিজেপির সংকল্প:
…………………………………………..

প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির বাস্তবায়ন করে ৭৫ লক্ষ কৃষককে বার্ষিক আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধি করে ১০,০০০ টাকা করা হবে।

গত তিন বছরে বাস্তবায়িত না হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির আওতায় রাজ্যের ৭৫ লক্ষ কৃষককে এককালীন ১৮,০০০ টাকা বকেয়া দেওয়া হবে

কৃষক সুরক্ষা যোজনার মাধ্যমে সকল ভূমিহীন কৃষক এবং ভাগচাষীদের প্রতিবছর ৪০০০ টাকা দেওয়া হবে

কৃষকরা যাতে তাদের উৎপাদনের সঠিক মূল্য পান তা নিশ্চিত করার জন্য ৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে

কুড়ি হাজার কোটি টাকার কৃষক সুরক্ষা কৃষি পরিকাঠামো তহবিল করা হবে

স্নাতক পর্যন্ত ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষকদের ছেলেমেয়েরা বিনামূল্যে পড়াশোনা করতে পারবে

কৃষকদের চাষের জন্য ৮ ঘণ্টা অবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে

মৎস্যজীবীদের জন্য জেলে সুরক্ষা যোজনার মাধ্যমে প্রতি মৎস্যজীবীদের প্রতি বছরে ৬ হাজার টাকা দেওয়া হবে

২,০০০ কোটি টাকার জেলে সুরক্ষা ফিশিং পরিকাঠামো তহবিল গড়া হবে

ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ভূমিহীন কৃষক এবং জেলেদের জন্য তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে দুর্ঘটনা বিমা চালু করা হবে

পশ্চিমবঙ্গকে দেশের শীর্ষ দুধ উৎপাদক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বাংলা হোয়াইট রেভলিউশনে এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ

আলুচাষিদের অবস্থার উন্নতি করতে ৫০০ কোটি টাকার পটেটো ইন্সেন্টিভ প্যাকেজ চালু করা হবে।

স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বিজেপির সংকল্প:
………………………………………….

আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদান।

তিনটি নতুন অত্যাধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্র এইমস তৈরি করা হবে উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং সুন্দরবনে।

১০,০০০ টাকার কাদম্বিনী গাঙ্গুলি স্বাস্থ্য পরিকাঠামো তহবিল

২০২৫ সালের মধ্যে মেডিকেল ও নার্সিং কলেজে আসন সংখ্যা দ্বিগুণ।

আশা কর্মীদের বর্তমান স্থায়ী মাসিক সম্মানী ৪৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০০ টাকা করা হবে।

২০২৫ সালের মধ্যে ম্যালেরিয়া এবং ডেঙ্গু নির্মূল

যুবকযুবতীদের জন্য বিজেপির সংকল্প:

প্রতিটি পরিবারে কমপক্ষে একজন সদস্যকে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া

শিক্ষিত যুবকদের চাকরির জন্য প্রতি ব্লকে নেতাজি বিপিও স্থাপন করা হবে।

১০,০০০টি স্টার্টআপ বিজনেস বা নতুন বিনিয়োগকারী ব্যবসাতে ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকিযুক্ত লোনদেওয়া হবে।

কুড়ি লক্ষ যুবকের দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রতিটি ব্লকে নেতাজি ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন করা হবে।

সহজপাঠ কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে বই, স্কুল ইউনিফর্ম, সাইকেল এবং ডিজিটাল ট্যাবলেট সরবরাহ করা হবে।

বিদ্যালয় পরিকাঠামো উন্নতির জন্য কুড়ি হাজার কোটি টাকার বিদ্যাসাগর তহবিল স্থাপন করা হবে

১০,০০০ কোটি টাকার বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তহবিলের মাধ্যমে একশটি নতুন সরকারি কলেজ এবং ৫৩ টি নতুন পলিটেকনিক কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে।

প্রতিটি ব্লকে কমিউনিটি স্পোর্টস সেন্টার। প্রতিটি মহকুমায় মাল্টি স্পোর্টস স্টেডিয়াম এবং প্রতি জেলায় ক্রীড়া প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

শৈলেন মান্না রাজ্য ক্রীড়া বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে

বিজেপির সুশাসনের প্রতিশ্রুতি:
………………………………………..

রাজনীতিকরণ মুক্ত রাজ্য প্রশাসন, অপরাধিকরণ মুক্ত রাজনীতি এবং দুর্নীতির প্রতিষ্ঠানিকরণ বন্ধ হবে।

রাজ্যে দ্রুত অর্থনৈতিক বিকাশের জন্য সোনার বাংলা আয়োগ গঠন করা হবে।

কেন্দ্রীয় সরকারের এস্পিরেশনাল ডিস্ট্রিক প্রোগ্রামের আওতায় এস্পিরেশনাল ব্লকেরর উন্নতিতে বিশেষ নজর দেওয়া হবে।

মুখ্যমন্ত্রী দপ্তরের অধীনে এন্টিকরাপশন হেল্পলাইন চালু করা হবে, যার দ্বারা সিন্ডিকেট, তোলাবাজি এবং কাটমানির মোকাবিলা করা হবে।

আম্ফান, বুলবুল, আইলা এবং ঘূর্ণিঝড় ত্রাণের ক্ষতিপুরণের দুর্নীতির তদন্তের জন্য এসটিএফ গঠন করা হবে।

কয়লা মাফিয়া, বালি মাফিয়া, জলের ট্যাঙ্ক মাফিয়া এবং চাকরির নিয়োগের কেলেঙ্কারি বিরুদ্ধে এসটিএফ গঠন করা হবে।

সাম্প্রদায়িক হিংসা, অবৈধ অস্ত্র, মাদক ব্যবসা, জোর করে জমি রূপান্তর জাল টাকা এবং গরু পাচারের বিরুদ্ধে এসটিএফ গঠন করা হবে।

পিডিএস, চিটফান্ড, বিশ্ববাংলা, মেট্রো ডিয়ারি সহ অন্যান্য কেলেঙ্কারি তদন্তের জন্য এসআইটি গঠন করা হবে।

রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড তদন্তের জন্য এসআইটি গঠন করা হবে এবং রাজনৈতিক হিংসা শিকার ব্যক্তিদের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পুনর্বাসন দেওয়া হবে।

রাজ্য পুলিশের আধুনিকীকরণের মাধ্যমে সমস্ত থানাকে বিশ্বমানের করে হবে।

কেন্দ্রীয় সরকারকে সহযোগিতা করতে সীমান্তবর্তী এলাকায় অবৈধ প্রবেশ ও প্রাচার নির্মূল করতে সময় মত বর্ডার ফেন্সিং এবং সিসিটিভি নজরদারি নিশ্চিত করা হবে।

আধা সামরিক বাহিনীতে নারায়ণী সেনা ব্যাটেলিয়ন স্থাপন করা হবে।

অর্থনীতি:
………………………..

সোনার বাংলা অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন টাস্কফোর্স গঠন করা হবে। এজন্য ইনভেস্ট বাংলা স্থাপন করে বিনিয়োগকারীদের স্বচ্ছ ও সবকিছু সমাধানের জন্য ওয়ান স্টপ সলিউশন এর ব্যবস্থা করা হবে।

সহজতর ব্যবসা করার লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গকে শীর্ষ তিন নম্বর রাজ্যের নিয়ে আসার লক্ষ্য।

ক্ষুদ্র অতি ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসাগুলিকে প্রথম পাঁচ বছরের জন্য দুই টাকা প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ সরবরাহ

ক্ষুদ্র অতি ক্ষুদ্র মাঝারি ব্যবসা গুলিতে ১০০% ক্রেডিট গ্যারান্টি কভার সহ ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জামানত মুক্ত লোন দেওয়া হবে।

স্ট্রাটাপ ব্যবসার জন্য প্রথম পাঁচ বছরে কর মুকুব।

চারটি মেগা ফুড পার্ক, দশটি ছোট ফুডপার্ক, একটি চাপার্ক, ২টি সি ফুড প্রসেসিং পার্ক স্থাপন।

হ্যান্ডলুমের জন্য চারটি বস্ত্রহাব এবং হ্যান্ডিক্রাফটের জন্য একটি হস্ত শিল্প কেন্দ্র।

দুটি চামড়া শিল্প উদ্যান, একটি লৌহ ইস্পাত উদ্যান, একটি জুয়েলারি শিল্প উদ্যান, একটি ফার্মাপার্ক, একটি ইলেকট্রনিক্স এবং সেমিকন্ডাক্টর শিল্প উদ্যান এবং একটি অটো শিল্প পার্ক স্থাপন।

পাট শিল্প কোন নির্মাণের জন্য ১৫০০ কোটি টাকার তহবিল গঠন।

পরিকাঠামো:
………………..

প্রতিটি পরিবারকে টয়লেট এবং নিকাশির যথাযথ ব্যবস্থা সহ পাকা ঘর দেওয়া হবে।

প্রতি বাড়িতে ২৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ পরিষেবা পৌঁছবে এবং কেবল ২০০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারে নিঃশুল্ক বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে।

গুরুদেব রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট মিশন এর আওতায় গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য আগামী পাঁচ বছরে দু লক্ষ কোটি টাকা দেওয়া হবে।

উজ্জ্বল বাংলা মিশন এর আওতায় নগর পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য আগামী পাঁচ বছরে ৩০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ।

১০,০০০ কোটি টাকার প্রতি বাড়ি পরিষ্কার জল তহবিলের এর মাধ্যমে ২৪ ঘন্টা পানীয় জল সরবরাহ।

৬৭৫ কিলোমিটার লম্বা নেতাজি এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করে নতুন অর্থনৈতিক লাইফ লাইন তৈরি হবে।

সড়ক নেটওয়ার্কের জন্য পরবর্তী পাঁচ বছরে এক লক্ষ টাকা বিনিয়োগ।

বাস পরিষেবা পুনরুদ্ধারের জন্য পরের পাঁচ বছরে ১০ হাজার কোটি টাকা এবং বাস টার্মিনাল নির্মাণের জন্য ৪ হাজার ৬০০ কোটি বিনিয়োগ।।

শিলিগুড়ি এবং কল্যাণীর মতো নগরগুলিতে মেট্রো চালু করা হবে।

বাগডোগরা বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরিত এবং উড়ান প্রকল্পে মালদা, বালুরঘাট এবং কোচবিহার বিমানবন্দরগুলিকে সচল করা এবং পুরুলিয়ায় নতুন বিমান বন্দর স্থাপন করা।

বাংলার সংস্কৃতি উন্নয়নে বিজেপির সংকল্প:
………………………………………………………

বিশ্বের প্রতিভাকে সম্মান জানানোর জন্য নোবেল প্রাইজের আদলে টেগর প্রাইজ এবং অস্কারের আদলে সত্যজিৎ রায় অ্যাওয়ার্ড পুরস্কার চালু করা হবে।

বাংলাকে ভারতের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে ১১,০০০ কোটি টাকার সোনারবাংলা তহবিল স্থাপন।

বাঙালি সংস্কৃতির প্রচারের জন্য সমস্ত রাজ্যের রাজধানী এবং বিদেশের নির্ধারিত কিছু জায়গায় সাংস্কৃতিক উৎকর্ষতা বৃদ্ধির জন্য গুরুদেব সেন্টার ফর কালচার এক্সিলেন্স বানানো হবে।

বাংলার উৎকর্ষতা প্রদর্শনের জন্য কলকাতায় একটি বিশ্বমানের সোনার বাংলা মিউজিয়াম তৈরি করা হবে।

মহাধুমধামে নেতাজি জন্ম বার্ষিকী হিসেবে পরাক্রম দিবস (২৩শে জানুয়ারি) পালন করা হবে।

রাজ্যজুড়ে নির্ভয়ে ও বিনা বাধায় সরস্বতী ও দুর্গাপূজা উদযাপন।

গঙ্গাসাগর মেলাকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে প্রসার ও প্রচারের লক্ষ্যে ২,৫০০ কোটি টাকার তহবিল।

পুরোহিত কল্যাণ বোর্ড প্রতিষ্ঠা এবং পুরোহিতদের প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা সম্মানিক প্রদান।

চৈতন্য মহাপ্রভু স্পিরিচুয়াল ইনস্টিটিউট এর মাধ্যমে চৈতন্য মহাপ্রভুর মতাদর্শ প্রচার।

৬০ বছরের বেশি বয়সের কীর্তনীয়াদের মাসিক ৩০০০ টাকা পেনশন দেওয়া হবে।

রাজ্যজুড়ে মন্দিরগুলি মেরামত ও সংস্কারের জন্য ১০০ কোটি টাকার তহবিল।

বিশ্বজুড়ে নেতাজি ও আজাদ হিন্দ ফৌজ এর ঐতিহাসিক যাত্রা প্রদর্শনের জন্য এক হাজার কোটি টাকার তহবিল।

তমলুকে তাম্রলিপ্ত জাতীয় মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত।

বাংলাকে রাষ্ট্রপুঞ্জের অন্যতম অন্যতম সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে সহযোগিতা।

সরকারের সকল দলিল, আদেশ এবং চিঠিপত্রগুলিতে বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক করা হবে।

ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার একটি মিউজিয়াম, একটি স্মৃতিসৌধ এবং একটি বিগ্রহ প্রতিমা নির্মাণের জন্য ২৫০ কোটি তহবিল স্থাপন।

সোনারপুরে মহানায়ক উত্তম কুমার ফিল্ম সিটি প্রতিষ্ঠা।

পর্যটন :
………..

পর্যটন শিল্পের বিষয়টি সর্বজনগ্রাহ্য সমাধানের জন্য নতুন পর্যটন নীতি প্রবর্তন।

বাংলায় পর্যটন প্রচারের জন্য এক হাজার কোটি বরাদ্দ।

মোট নয়টি পর্যটন সার্কিট বানানো হবে যেমন– শক্তিপীঠ চৈতন্য মহাপ্রভু, হিমালয়ের বৌদ্ধধর্ম, রাজবংশী, জঙ্গলমহল, সুন্দরবন, রাজবাড়ী, পাহাড়ের রানী এবং কোস্টাল।

পর্যটন সেক্টরে আসা ব্যবসায়ীদের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকিযুক্ত লোন, সিঙ্গেল উইন্ডো ছাড়পত্র এবং তিন বছরের জন্য ১০০% প্রচার।

সবার বিকাশ বিজেপির সংকল্প:
………………………………………..

রাজ্য জুড়ে অন্নপূর্ণা কেন স্থাপন করা হবে, যেখানে দিনে তিনবার ৫ টাকায় খাবার পাওয়া যাবে।

রেশনব্যবস্থাকে সর্বজনীন করে সমস্ত নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
যোগ্য পিডিএস সুবিধাভোগীদের জন্য ভর্তুকিযুক্ত রেশন: চাল বা গম প্রভৃতি প্রতি কেজি ১ টাকা দাম, ডাল প্রতি কেজি ৩০ টাকা, লবণ প্রতি কেজি তিন টাকা এবং চিনি প্রতি কেজি ৫ টাকা।

প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে নাগরিকত্ব সংশোধন আইন(সিএএ) প্রয়োগ

মুখ্যমন্ত্রী শরণার্থী কল্যাণ প্রকল্পের মাধ্যমে শরণার্থী পরিবারকে পাঁচ বছরের জন্য ডিবিটির মাধ্যমে ১০,০০০ টাকা এবং অন্যান্য প্রাথমিক সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে।

মতুয়া দলপ্রতিদের মাসে ৩০০০ টাকা পেনশন।
কোনো দুর্নীতি বা বৈষম্য ছাড়াই এসসি এসটি সংশাপত্র প্রদান।

সমস্ত এসটি ব্লকে মনরেগা প্রকল্পের আওতায় ২০০ দিনের কর্মসংস্থান।

ঝাড়গ্রামে পন্ডিত রঘুনাথ মুর্মু উপজাতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।

উপজাতি অধ্যুষিত জেলাগুলির প্রতিটি ব্লকে একটি একলব্য মডেল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল।

পৌন্ড্রক্ষত্রীয় উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা।

মাহিষ্য, তিলি এবং অন্যান্য হিন্দু সম্প্রদায়গুলিকে ওবিসি সংরক্ষণের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।

প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে বেতন কমিশন লাগু করা হবে।

শিক্ষক কল্যাণ বোর্ড প্রতিষ্ঠা।

প্রশিক্ষকদের বেতন বাড়বে যথাক্রমে প্রাথমিকে প্রতিমাসে ১৫,০০০ টাকা এবং উচ্চ মাধ্যমিকে ২০,০০০ টাকা।

স্যার আশুতোষ মুখার্জির নামে এক হাজার কোটি টাকার তহবিল স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার ব্যবস্থার পরিকাঠামোর উন্নতি।

অসংগঠিত শ্রমিক কল্যাণ বোর্ড প্রতিষ্ঠা।

অসংগঠিত শ্রমিকদের প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা পেনশন।

রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অটো ট্যাক্সি ড্রাইভারদের প্রতি বছর তিন হাজার ও পাঁচ হাজার টাকা প্রদান।

প্রবীণ নাগরিকদের বর্তমান ১০০০ টাকা পেনশন বাড়িয়ে মাসে তিন হাজার টাকা করা হবে।

বৃদ্ধাশ্রমগুলির অত্যাধুনিক অত্যাধুনিক করনের জন্য চারশো কোটির তহবিল স্থাপন।

তীর্থ যোজনার মাধ্যমে প্রবীণ নাগরিকদের বিনামূল্যে ভ্রমণ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা।

দিব্যাঙ্গদের জন্য বর্তমান ১০০০ টাকা পেনশন বাড়িয়ে ৩০০০ টাকা করা হবে।

আঞ্চলিক উন্নয়ন:
…………………….

উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন বোর্ড স্থাপন।

পরচা পাট্টা অধিকার দেওয়া হবে চা বাগান, সিনচোরা উদ্যান, জঙ্গল লাগোয়া গ্রাম এবং ওডিআই তহবিলের জমিতে বসবাসকারী বাসিন্দাদের।

চা বাগান শ্রমিকদের প্রতিদিনের মজুরি বেড়ে ৩৫০ টাকা হবে।

১১টি ভারতীয় গোর্খা উপজাতিদের তপশিলি উপজাতি হিসেবে স্বীকৃতি।

দার্জিলিং পাহাড়, শিলিগুড়ি, তরাই ও ডুয়ার্স অঞ্চলের স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান।

দার্জিলিংয়ের গোর্খা স্বাধীনতা সংগ্রামে উজ্জ্বল যোদ্ধাদের জন্য মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা।

জঙ্গলমহল উন্নয়ন বোর্ড স্থাপন।

সুন্দরবন উন্নয়ন বোর্ড স্থাপন।

আইলা, বুলবুল এবং আমফান ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ।

নতুন কলকাতা:
………………..

কলকাতা হবে আর্থিক পরিষেবা কেন্দ্র প্রধান কেন্দ্র।

প্রতি বাড়িতে ২৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ পরিষেবা পৌঁছবে এবং কেবল ২০০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারে নিঃশুল্ক বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে।
কলকাতার প্রতিটি বাড়িতে নিয়মিত অগ্নিপরীক্ষা হবে।

এসি ও নিচু মেঝেযুক্ত বাসের সংখ্যা ৩০০০ হবে।

কলকাতাকে এক বিশ্বমানের ভবিষ্যতের শহর বানাতে ২২ হাজার কোটি টাকার কলকাতা উন্নয়ন তহবিল তৈরি করা হবে।

পার্কিংয়ের সুবিধার জন্য সমস্ত ভারী যানজট অঞ্চলে ১০টি বহুতল পার্কিং তৈরি করা হবে।

ইউনেস্কো হেরিটেজ মর্যাদা পাওয়ার জন্য কলকাতায় ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে।

বায়ু দূষণ প্রতিরোধে শহরে ১০টি টাওয়ার বসানো হবে।

কলকাতা মিশন চালু করতে ১৫০০ কোটি তহবিল তৈরি হবে।

কলকাতার সঙ্গে শহরতলির দ্রুত যোগাযোগ বাড়াতে কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণ শ্রীরামপুর, ধুলাগড় এবং কল্যাণী পর্যন্ত করা হবে।

কালীঘাটে আদিগঙ্গা নদীর অতীত গৌরব ফেরাতে সমস্ত আবর্জনা পরিষ্কার করে পুনর্জীবন দেওয়া হবে।

পরিবেষ:
…………..

নমামি গঙ্গে প্রকল্পে বরানগর, বালি এবং হাওড়ার কাজ দ্রুত শেষ হবে।
ঘাটাল, কান্দি এবং উত্তরবঙ্গে বন্যা নিয়ন্ত্রণের ৫০০ কোটি টাকার ফ্লাড কন্ট্রোল এন্ড ম্যানেজমেন্ট মাস্টার প্ল্যান করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *