আমাদের ভারত, ২৪ আগস্ট: যাদবপুর বাঁচাও এই স্লোগান তুলে ভারতীয় জনতা পার্টি যুব মোর্চার মিছিল ছিল শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে। একই সঙ্গে এবিভিপিরও মিছিল ছিল যাদবপুরে। আর দুই সংগঠনের মিছিলে উত্তাল হয়ে ওঠে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর।
এভিবিপির মিছিলের আগে কার্যত রণক্ষেত্র চেহারা নেয় গোলপার্ক এলাকা। মিছিল করতে বাধা দেওয়ায় খন্ডযুদ্ধ বাধে বারবার পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে মিছিলকারীদের। টেনে হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয় বিক্ষোভকারীদের। অভিযোগ উঠেছে মহিলা বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে পুরুষ পুলিশ কর্মীরা। এই মিছিলে উত্তেজনার রেশ কাটতে না কাটতে গোলপার্ক থেকে শুরু হয় যুব মোর্চার মিছিল। গত মিছিলের অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের চার নম্বর গেটের সামনে ছেয়ে ফেলা হয় পুলিশে। এই মিছিলে অংশগ্রহণ করেন শুভেন্দু অধিকারী, অগ্নিমিত্রা পাল, যুব মোর্চার সভাপতি চিকিৎসক ইন্দ্রনীল খাঁ, আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি সহ একাধিক বিজেপি নেতা।

ছবি: এবিভিপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বাধা।
বৃষ্টির মধ্যে মিছিলে যুব মোর্চার নেতা কর্মীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। যাদবপুরে ছাত্র মৃত্যু কাণ্ডে প্রতিবাদী বিজেপি যুব মোর্চার মিছিল শুরু হয় গোলপার্ক থেকে। মিছিল চলে ৮বি পর্যন্ত। মিছিল করতে করতে চার নম্বর গেটের সামনে বসে পড়েন বিজেপি সমর্থকরা। মিছিল থেকে যাদবপুরের পড়ুয়ার জুতো দেখানোর ও কটুক্তির অভিযোগ ওঠে। পড়ুয়াদের উদ্দেশ্য করে স্লোগান দেওয়া হয় বলে যুব মোর্চার বিরুদ্ধে অভিযোগ। মিছিল থেকে বোতল ছোড়ারও অভিযোগ ওঠে।

ছবি: এবিভিপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বাধা।
মিছিলের শুরুতে শুভেন্দু বলেন, “টুকরে টুকরে গ্যাং”, রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিকে হুঁশিয়ারি দিতে আমরা নেমেছি। এই ডান্ডা আরও মোটা হবে। মাওবাদ নকশাল বাদ চলবে না। যাদবপুরে রাষ্ট্রবাদ চলবে। জাতীয় পতাকা উড়বে। নকশাল বাদ, মাওবাদ হুঁশিয়ার।

