কান্দিতে বিজেপি কর্মীর উপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

আমাদের ভারত, মুর্শিদাবাদ, ১৮ সেপ্টেম্বর: মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি থানার অন্তর্গত গোবরহাটি গ্রামের বিজেপি বুথ সভাপতির ভাই রামকৃষ্ণ হাজরাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠল কান্দি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ককলি রাজবংশী ও তার স্বামী দিবাকর রাজবংশীর বিরুদ্ধে।

আক্রান্তের পরিবার জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে বিজেপি কর্মী রামকৃষ্ণ হাজরার বাড়িতে কান্দি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কাকলি রাজবংশীর স্বামী দিবাকর রাজবংশীর নেতৃত্বে তৃণমূলের কয়েকজন লোক রামকৃষ্ণ হাজরার বাড়িতে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং ভাঙ্গচুর চালায় বলে অভিযোগ। যার প্রতিবাদ করায় রামকৃষ্ণ হাজরার স্ত্রী তাপসী হাজরাকে আক্রমণের চেষ্টা করে এবং রামকৃষ্ণ হাজরার পায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে তৃণমূল কর্মীরা। এলাকার বুথ সভাপতি তথা আক্রান্তের দাদা সুদীপ হাজরা দাবি করেন, তারা যেহেতু বিজেপি করে তার জন্যই তাদের উপর হামলা চালায় তৃণমূলের হার্মাদ বাহিনী। আক্রান্ত রামকৃষ্ণ হাজরা স্ত্রী তাপসী হাজরা ন্যায্য বিচারের আশায় কান্দি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বর্তমানে আক্রান্ত রামকৃষ্ণ হাজরা কান্দি মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কান্দি থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

তবে এই ঘটনার পর কান্দি বিধানসভা কেন্দ্রের শাসক দলের বিধায়ক অপূর্ব সরকার পাল্টা দাবি করেন, বিজেপি কর্মী রামকৃষ্ণ হাজরা মদ্যপ অবস্থায় কান্দি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কাকলি রাজবংশীর স্বামী দিবাকর রাজবংশীকে ধাক্কাধাক্কি করে এবং নিজেদের মধ্যে ইট ছোড়াছুড়ি করে সেই ইট ছোড়াছুড়িতে জখম হন বিজেপি কর্মী রামকৃষ্ণ হাজরা। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তৃণমূলের নামে দোষ চাপাচ্ছে বিজেপি। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কোনও ভাবেই জড়িত নয় বলে দাবি করেন বিধায়ক অপূর্ব সরকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *