সুশান্ত ঘোষ, উত্তর ২৪ পরগণা, ১৮ এপ্রিল: তৃণমূলের মিটিং মিছিলে যেতে অস্বীকার করায় বিজেপি কর্মীর পরিবারকে মারধর। বাড়িতে আগুন লাগানোর চেষ্টা। বিজেপি কর্মীর পরিবারকে তৃণমূলের মিটিং মিছিলে যেতে বলে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা। তৃণমূলের মিটিং মিছিলে যেতে অস্বীকার করে ওই পরিবার। রাতে তৃণমূল অশ্রিত দুষ্কৃতীরা ওই বিজেপি কর্মীর বাড়ি হামলা চালিয়ে পরিবারের এক যুবককে মারধর করে বলে অভিযোগ। পরিবারের লোকজন বাধা দিতে গেলে তাদেরও বেধড়ক মারধর করা হয়। শনিবার রাতে ঘনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগর থানারগঙ্গানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অম্বরপুর এলাকায়।
আহত বিজেপি কর্মী গোবিন্দ হালদার, ছেলে হারান হালদারসহ কয়েকজন কর্মী সমর্থক।ঘটনার জেরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গোপালনগর থানার পুলিশ গিয়ে উত্তেজনা আয়েত্ত্বে আনে। উত্তেজনা ঠেকাতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন
করা হয়েছে।আহতরা বর্তমানে বনগাঁ
মহাকুমা হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন।

খবর পেয়ে রবিবার
ঘটনাস্থলে যান বিজেপির
বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের প্রার্থী
অশোক কীর্তনীয়া। বিজেপির অভিযোগ, এদিন রাতে বাজার থেকে বাড়ি
ফিরছিল গোবিন্দ হালদার।
স্থানীয় তৃণমূল সদস্য সহ কয়েকজন তাকে আচমকা মারধর শুরু করে।গোবিন্দবাবুর ছেলে খবর পেয়ে
ঘটনাস্থলে গেলে তার ছেলে
হারান ও তার মাকে মারধর করে বলে অভিযোগ।এরপর গোবিন্দ হালদার সহ বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙ্গচুর করা হয়।
বিজেপি নেতা বিকাশ ঘোষ
বলেন” বিজেপি করায় মারধর করা হয়েছে আমাদের কর্মীদের৷
মারধরের সময় নিজেদের
বাঁশের আঘাতে জখম হয়েছে তৃণমূল সদস্য।
আহত ছেলে হারান হালদার
বলেন” বিজেপি করায়
আমাকে মারধর করল। তৃণমূলের মিটিংয়ে যেতে
বলেছিল, যাইনি। সেই আক্রোশ থেকেই তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডা বাহিনী খুন করার হুমকি দিতে”। আজ একা পেয়ে বাবা সহ পরিবারের সকলকে মেরেছে।

বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনিয়া বলেন, এই ভাবে আমাদের কর্মী সমর্থকদের উপরে সন্ত্রাস চালাচ্ছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। আমাদের কর্মীদের ভয় দেখিয়ে কোনও লাভ হবে না। এর জবাব পাবে।বিজেপির বিরুদ্ধে পাল্টা মারধরের অভিযোগ এনেছে
তৃণমূল।পঞ্চায়েত সদস্যের স্ত্রী রিতা পাত্র বলেন, “ওরাই দা
হেঁসো নিয়ে আমাদের বাড়িতে এসে চড়াও হয়ে আমাদেরমারধর করেছে।
গোপালনগর অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি সৌমেন দত্ত বলেন,বিজেপি এবার হারবে বুঝে
গিয়েছে৷ তাই দুই পরিবারের গন্ডগোলকে রাজনৈতিক রঙদেওয়ার চেষ্টা করছে৷ ঘটনার তদন্তে পুলিশ

