আমাদের ভারত, ২২ মার্চ: বিজেপি ক্ষমতায় এলে সরকারি কাজে বাংলা বাধ্যতামূলক করা হবে। পুরোহিত এবং কীর্তনীয়াদের মাসে ৩ হাজার টাকার পেনসন চালু করবে। এছাড়া রাজ্যজুড়ে মন্দির সংস্কারের জন্য ১০০ কোটি টাকার তহবিল গড়বে। বাংলাকে ভারতের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে ১১,০০০ কোটি টাকার সোনারবাংলা তহবিল স্থাপন করবে। সোনার বাংলা সংকল্পপত্র ঘোষণা করে জানিয়েছেন অমিত শাহ।
বাংলার সংস্কৃতি উন্নয়নে বিজেপির সংকল্প:
বিশ্বের প্রতিভাকে সম্মান জানানোর জন্য নোবেল প্রাইজের আদলে টেগর প্রাইজ এবং অস্কারের আদলে সত্যজিৎ রায় অ্যাওয়ার্ড পুরস্কার চালু করা হবে।
বাংলাকে ভারতের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে ১১,০০০ কোটি টাকার সোনারবাংলা তহবিল স্থাপন।
বাঙালি সংস্কৃতির প্রচারের জন্য সমস্ত রাজ্যের রাজধানী এবং বিদেশের নির্ধারিত কিছু জায়গায় সাংস্কৃতিক উৎকর্ষতা বৃদ্ধির জন্য গুরুদেব সেন্টার ফর কালচার এক্সিলেন্স বানানো হবে।
বাংলার উৎকর্ষতা প্রদর্শনের জন্য কলকাতায় একটি বিশ্বমানের সোনার বাংলা মিউজিয়াম তৈরি করা হবে।
মহাধুমধামে নেতাজি জন্ম বার্ষিকী হিসেবে পরাক্রম দিবস (২৩শে জানুয়ারি) পালন করা হবে।
রাজ্যজুড়ে নির্ভয়ে ও বিনা বাধায় সরস্বতী ও দুর্গাপূজা উদযাপন।
গঙ্গাসাগর মেলাকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে প্রসার ও প্রচারের লক্ষ্যে ২,৫০০ কোটি টাকার তহবিল।
পুরোহিত কল্যাণ বোর্ড প্রতিষ্ঠা এবং পুরোহিতদের প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা সম্মানিক প্রদান।
চৈতন্য মহাপ্রভু স্পিরিচুয়াল ইনস্টিটিউট এর মাধ্যমে চৈতন্য মহাপ্রভুর মতাদর্শ প্রচার।
৬০ বছরের বেশি বয়সের কীর্তনীয়াদের মাসিক ৩০০০ টাকা পেনশন দেওয়া হবে।
রাজ্যজুড়ে মন্দিরগুলি মেরামত ও সংস্কারের জন্য ১০০ কোটি টাকার তহবিল।
বিশ্বজুড়ে নেতাজি ও আজাদ হিন্দ ফৌজ এর ঐতিহাসিক যাত্রা প্রদর্শনের জন্য এক হাজার কোটি টাকার তহবিল।
তমলুকে তাম্রলিপ্ত জাতীয় মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত।
বাংলাকে রাষ্ট্রপুঞ্জের অন্যতম অন্যতম সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে সহযোগিতা।
সরকারের সকল দলিল, আদেশ এবং চিঠিপত্রগুলিতে বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক করা হবে।
ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার একটি মিউজিয়াম, একটি স্মৃতিসৌধ এবং একটি বিগ্রহ প্রতিমা নির্মাণের জন্য ২৫০ কোটি তহবিল স্থাপন।
সোনারপুরে মহানায়ক উত্তম কুমার ফিল্ম সিটি প্রতিষ্ঠা।

