আমাদের ভারত, ৩ জুলাই: তেলেঙ্গানায় ও হায়দ্রাবাদে বিজেপির দুদিনের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক চলছে। রবিবার ছিল তার শেষ দিন। সেই বৈঠকের রাজনৈতিক প্রস্তাব পেশ করেন অমিত শাহ। এই প্রস্তাব পেশের সময় অমিত শাহ বলেন, খুব শীঘ্রই বাংলা এবং তেলেঙ্গানা পরিবারতন্ত্র থেকে মুক্তি পাবে। খুব তাড়াতাড়ি সেখানে বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চলেছে।
বিজেপির রাজনৈতিক প্রস্তাবে কংগ্রেসকে নিশানা করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে কংগ্রেস সহ বেশিরভাগ বিরোধী দলই পরিবারতান্ত্রিক, নীতিহীন, দুর্নীতিগ্রস্থ, সুবিধাবাদী রাজনীতির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। আগে ভোট হোত জাতিবাদ, পরিবারতন্ত্র ও তুষ্টিকরণের ভিত্তিতে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্ব তার থেকে মুক্তি দিয়েছে। বর্তমানে নির্বাচন “পলিটিক্স অফ পারফর্মেন্স ও ডেভেলপমেন্ট” এর ওপরে দাঁড়িয়ে হয়।
বাংলা, কেরালা, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশায় এবার বিজেপি সরকার তৈরি হবে। সুরক্ষিত ও সমৃদ্ধ ভারত তৈরীর জন্য বিজেপি সরকারের প্রয়োজন রয়েছে বলে দাবি করেছেন অমিত শাহ।
অমিত শাহের কথায়, কংগ্রেস পরিবারতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। তারা বিলুপ্ত হতে বসেছে জাতীয় রাজনীতি থেকে। এখন তারা শুধু অস্তিত্ব বাঁচানোর লড়াই চালাচ্ছে। এভাবে বাংলাও একদিন পরিবারতন্ত্র মুক্ত হবে।
সামনে একাধিক রাজ্যে বিধানসভা ভোট। গুজরাটে ভোট রয়েছে। তেলেঙ্গানাতেও সামনের বছর বিধানসভা ভোট। সর্বোপরি মাত্র দেড় বছরের মাথায় ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন। এই পরিস্থিতিতে বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে এবার পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে বিশেষ অবস্থান নিতে দেখা গেছে বেশিরভাগ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে। ২০২১-এ বাংলা জয়ের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছিল বিজেপি। কিন্তু তার থেকে অনেকটাই পিছিয়ে ছিল পদ্ম শিবির। কিন্তু জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে এভাবে বাংলার প্রসঙ্গ উঠে আসতে দেখে অনেকেই মনে করছেন বাংলার উপর থেকে চোখ সরেনি বিজেপির, বরং লক্ষ্য আরও দৃঢ় হয়েছে।

