পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ২৬ এপ্রিল: দিনভর শান্তিপূর্ণ ভোটের ছন্দপতন ঘটল বালুরঘাটে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হল ৪৬ এর’এ আনন্দবাগান বুথে। ঘটনায় এক তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই কর্মীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সকাল থেকেই ওই বুথ চত্বরে অস্থায়ী ক্যাম্প নিয়ে মতানৈক্য শুরু হয় বিজেপি তৃণমূলের। যেখান থেকেই ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছিল বলে অভিযোগ বিজেপি সহ অন্যান্য দলগুলির। যে ঘটনা শুনে এলাকায় ছুটে গিয়ে প্রতিবাদ জানান সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। অভিযোগ জানানো হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও। যার পরেই রানা মহন্ত সহ বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মীর উপর লাঠিচার্জ করে জওয়ানরা বলে অভিযোগ। যদিও লাঠিচার্জের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফে।

এদিকে এই ঘটনার পরেই এলাকায় ছুটে গিয়েছেন রাজ্যসভার সাংসদ অর্পিতা ঘোষও। কেন তাদের কর্মীদের অন্যায়ভাবে মারধর করা হবে তা নিয়েও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন তিনিও। সোমবার বিকেলে এই ঘটনার পর থেকেই তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় মোতায়েন করা হয় প্রচুর সিআরপিএফ। ডিএসপি সদর সোমনাথ ঝাঁর নেতৃত্বে বালুরঘাট থানা থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী এলাকায় পৌঁছায়। দীর্ঘক্ষণ পর স্বাভাবিক হয়েছে পরিস্থিতি। স্বাভাবিক হয় ওই বুথের ভোটদান প্রক্রিয়াও।
স্থানীয় এক বাসিন্দা তথা প্রত্যক্ষদর্শী কাজল চক্রবর্তী বলেন, এর আগে এলাকায় এমনটা ঘটেনি। সকাল থেকেই অস্থায়ী ক্যাম্প বসানো নিয়ে একটা ঝামেলা চলছিল বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে। রানা মহন্ত নামে তৃণমূলের একজন কর্মীকে মারধর করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যারপর এলাকায় দুই সাংসদকেই দেখা গেছে। যে ঘটনাকে ঘিরেই কিছুটা উত্তেজিত হয়েছে এলাকা।

