পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ২ জানুয়ারি: উত্তরপ্রদেশের ভোটের পরেই শুরু হবে অপারেশন, তৃণমূলের একটা চোরও বাদ যাবে না, বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। শুধু তাই নয় সারদা নারোদা কাণ্ডে যারা জনগণের টাকা লুট করেছে, কয়লা লুট করেছে তারা কেউই রেহাই পাবে না, বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
রবিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর ব্লকের ফুলবাড়িতে বিজেপি কিষাণ মোর্চার ডাকা একটি জনসমাবেশ থেকে এমনভাবেই তৃণমূলকে আক্রমণ করতে দেখা যায় রাজ্য সুকান্ত মজুমদারকে। বিধানসভার ভোট পরবর্তী হিংসার কথা উল্লেখ করে কর্মীদের মনোবল বাড়াতেই এদিন সভাতে এমনভাবে আক্রমনাত্মক মেজাজে দেখা যায় তাঁকে। যে সভা মঞ্চ থেকে কর্মীদের, ভয়ে পিছু হটবার পরিবর্তে আগামীতে ময়দানে প্রস্তুত থাকবার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। আর যাকে ঘিরে পুরভোটের আগে ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি। এদিন বিজেপির কিষান মোর্চার ডাকা এই সভাতে সুকান্ত মজুমদার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিজেপির দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী, জেলা কিষান মোর্চার সভাপতি শ্রী শংকর দাস লাহা, শুভেন্দু সরকার সহ অনান্য নেতৃত্বরা।
“কৃষি বাঁচাও কৃষক বাঁচাও” শ্লোগানকে সামনে রেখে দক্ষিণ দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে এদিন এক কৃষক সমাবেশের আয়োজন করে বিজেপির কিষান মোর্চা। যেখানে রাজ্যের কৃষকদের স্বার্থে বক্তব্য রাখেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা বালুরঘাট লোকসভার সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।এদিন নতুন করে করোনার বিধিনিষেধ লাগু নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে, এটা আরো আগে করা গেলে ভাল হতো। আজকের পর তাদের কৃষকদের নিয়ে সমাবেশ বন্ধ রাখা হবে। তবে এই পরিস্থিতিতে পুর নির্বাচন করা সম্ভব কি না তা রাজ্য নির্বাচন কমিশনকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
গতকালই বছরের প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রী দেশের দশ কোটি কৃষককে কৃষক সম্মাননিধি খাতে ২০ কোটি টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছেন। এদিন সেই বিষয়টিও সামনে আনেন তিনি। এরপরেই কর্মীদের মনোবল বাড়াতে সামনে আনেন সারদা নারোদা কান্ডের বিষয়। যে প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, উত্তরপ্রদেশের ভোটের পরেই শুরু হবে অপারেশন, তৃণমূলের একটা চোরও বাদ যাবে না। সারদা নারদা কাণ্ডে যারা জনগণের টাকা লুট করেছে, কয়লা লুট করেছে তারা কেউই রেহাই পাবে না।

