আমাদের ভারত, ৩০ আগস্ট: একফোঁটাও সময় নষ্ট নয়। তাই রাখি উৎসব আর নির্বাচনী প্রচার একসাথে সারলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সামনেই ধুপগুড়ি উপনির্বাচন। উত্তরবঙ্গের এই বিধানসভা জিততে তাই ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিজেপি। আজ যেমন রাখিবন্ধন উৎসব পালন করলেন তেমনি পুরোদস্তুর প্রচারের মধ্যে থাকলেন।
আজ ধুপগুড়ির দিদি বোনেরা আগ্রহের সাথে সুকান্তর হাতে রাখি বাঁধলেন। ধুপগুড়িতে পদ্ম ফোটাতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন সুকান্ত। বেশ কিছুদিন ধরে নিয়মিত প্রচার অভিযানে অংশগ্রহণ করেন তিনি। ধুপগুড়ির বিজেপি প্রার্থী তাপসী রায় পুলওয়ামা হামলায় শহিদ জগন্নাথ রায়ের স্ত্রী।
ধুপগুড়ি বিজেপির দখলে ছিল। বিধায়ক বিষ্ণুপদ রায়ের মৃত্যুতে পুনরায় ধুপগুড়ি কেন্দ্রে নির্বাচন হচ্ছে। ফলে পদ্ম শিবির আশাবাদী যে ধুপগুড়িতে আবারো পদ্মই ফুটবে। পুলওয়ামায় নিহতর স্ত্রীকে প্রার্থী করাটাও মাস্টার স্ট্রোক বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। বুধবার প্রচারের পর প্রার্থী তাপসী রায়কে সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সুকান্ত।
আজও পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে সরব হলেন বালুরঘাটের সাংসদ। তিনি বলেন, ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গ গঠিত হয়েছিল। তাতে সমর্থন করেছিলেন জ্যোতি বসু। তৃণমূল সরকার সেই ইতিহাস মুছে দিতে চাইছে। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ তৈরি না করলে আজ আমাদের দেশটা বাংলাদেশের মতো হয়ে যেত।
ধুপগুড়ি উপনির্বাচনে ৩০ কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, আমার মতে চল্লিশ কোম্পানি হলে ভালো হতো। আমরা প্রতিটি বুথেই বাহিনী চেয়েছি।
একই সঙ্গে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সমালোচনা করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, তৃণমূল ছাত্র পরিষদ হলো চুরির হাতপাকানোর জায়গা। আগে সেখানে চুরি করে হাত পাকালে তারপর দলের মাথায় নেওয়া হয়।

