আমাদের ভারত, ১৮ নভেম্বর: একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে অনেক নেতাই তৃণমূল ছেড়ে রাতারাতি বিজেপিতে এসেছিলেন। আবার তৃণমূল ক্ষমতা দখল করতেই তারা ফিরতে শুরু করেছেন। উত্তরপাড়ার বিজেপি প্রার্থী প্রবীর ঘোষালও সেই পথযাত্রী বলেই মনে করা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে আজ বিজেপি সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, বিজেপি গঙ্গার মতো পবিত্র, সেটা অনেকে সহ্য করতে না পেরে, এঁদো পুকুরে যাচ্ছেন, তাতে বিজেপির কিছু আসে যায় না।
তৃণমূলের মুখপত্র “জাগো বাংলায়” প্রবীর ঘোষাল লিখেছেন,”কেন বিজেপি করা যায় না।” এরপর সরাসরি সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছেন, মানসিকভাবে আর বিজেপির সঙ্গে তিনি নেই। বৃহস্পতিবার এই প্রসঙ্গে বিজেপি সর্ব ভারতীয় সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন,”কেউ বলেছিলেন আগে ভুল করেছিলাম, আবার কেউ বলছেন এখন ভুল করছেন। কে কী ভুল করেছেন আগে ঠিক করুন। বিজেপি গঙ্গার মত পবিত্র ছিল, থাকবে। অনেকে এখানে এসেছে সেই পবিত্রতা সহ্য করতে পারছে না। এঁদো পুকুরে ছিলেন ওখানেই চলে যান। আরামে থাকুন। আমাদের কোনও সমস্যা নেই।”
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার দলের বিধায়ক ও সাংসদদের নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন, যা সংবাদ মাধ্যমে সম্প্রচারিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রাতঃভ্রমণের পর এই বিষয়ে, মমতাকে নিশানা দেগে দিলীপ ঘোষ বলেন, “যখন মানুষ ক্ষেপে যায় তখন তিনি এই ধরনের কথাবার্তা বলেন। হোয়াইটওয়াশ করার চেষ্টা করেন প্রত্যেকবার। কখনো কেষ্টকে ধমকান, আবার কখনো বলেন ওর তো মাথায় একটু অক্সিজেন কম। আবার ওর টাকাতেই পার্টি চলে। এ ধরনের নাটকবাজি দেখে দেখে বাংলার মানুষ ক্লান্ত। লোককে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে নাম লেখাচ্ছেন, অথচ একটা পয়সাও দেন না। ভোটের আগে বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেন কিন্তু কিছু করেন না।”
বিএসএফের পরিধি বৃদ্ধি প্রসঙ্গে, বিজেপি সাংসদ বলেন, “সাধারণ মানুষকে নয় বাংলাদেশীকে মেরেছে। আর এই জন্যই পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। যারা বাংলাদেশীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ব্যবসা করে তারা এই নিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করেন। দেশের লোক খুশি আছেন তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, দেশের সুরক্ষার সবার আগে।”

