সাথী দাস, পুরুলিয়া, ১৭ অক্টোবর: বিজেপির পুরোনো সংগঠকদের গুরুত্ব না দেওয়া এবং অসম্মানের কারণে
বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এল পুরুলিয়ার বরাবাজারে। সেখানে দলীয় একটি প্রশিক্ষণ শিবিরে প্রকাশ্যে হাতাহাতি হয় দুই পক্ষের মধ্যে। প্রশিক্ষণ শিবিরের শুরু থেকেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। হাতাহাতি, লাঠি নিয়ে মারপিট, চেয়ার ছোড়াছুড়িতে আহত হন প্রায় ৪০ জনেরও বেশি বিজেপি নেতা কর্মী। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ শিবিরে আমন্ত্রণ সংক্রান্ত বিষয়ে এই ঝামেলা বলে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় জেলা বিজেপিকে অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। দুই পক্ষই বরাবাজার থানায় মোট ৫০ জনের বেশি নেতাকর্মী পরস্পর পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।

তবে, বিজেপির একটি সূত্রে জানা গিয়েছে বেড়াদা পঞ্চায়েতে একটি কাজে বরাত পাওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় অন্যতম মন্ডল সভাপতি লবসেন বাস্কের সঙ্গে প্রাক্তন সংগঠক জয়দেব গোস্বামীর মূল বিতণ্ডা শুরু হয়। অভিযোগ, প্রাক্তন ও আদি সংগঠকদের মর্যাদা না দেওয়ায় বিষয়টিকে কেন্দ্র তা আরও ভয়ঙ্কর রূপ পায়। শুক্রবার ওই দুই নেতার অনুগামীদের মধ্যেই বিজেপি জেলা সভাপতি বিদ্যাসাগর চক্রবর্তী বরাবাজারের এই ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, “দলীয় শৃঙ্খলা সবাইকে মানতে হবে। যে বা যাঁরা তা মানবেন না বা ভঙ্গ করবেন তাঁদের দলীয় শাস্তির মুখে পড়তে হবে। ”

নতুন আর আদিদের বনিবনা যে হচ্ছে না তা পরিষ্কার হচ্ছে, আর বরাবাজারের স্থানীয় বিজেপি নেতা কর্মীরাই তা স্বীকার করেছেন। বিজেপি জেলা নেতৃত্ব ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে পড়েছেন। পুরনো নেতা কর্মীদের পক্ষে কতটা সমর্থন জেলা বিজেপির তা ভবিষ্যতই বলবে।

