স্বরূপ দত্ত, আমাদের ভারত, উত্তর দিনাজপুর, ২৬ অক্টোবর: একমাস আগে দল ছেড়েছেন রায়গঞ্জের বিজেপি বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী। এবার তাঁর অনুগামী হিসেবে পরিচিতদের বহিষ্কার করলেন দলের মন্ডল সভাপতি। আর এই ঘটনাকে রায়গঞ্জের সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরীর ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী। যদিও এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে মুখ খুলতে নারাজ বিজেপির ৩১ নম্বর মন্ডল সভাপতি শ্যামল পাল। তবে বিষয়টি তাদের আভ্যন্তরীণ ব্যাপার এবং তা দলের ভেতরেই মিটিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার।
রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী কিছুদিন আগে দল ছেড়েছেন। বহু বিজেপি কর্মী ও কার্যকর্তা বিজেপি ছেড়ে নাম লিখিয়েছেন শাসক দল তৃণমূলে। এরপর রায়গঞ্জ ৩১ নম্বর মন্ডলের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় কুমার দেব এবং মন্ডল সহ সভাপতি সঞ্জয় শীলকে দল থেকে বহিষ্কার করে দেন মণ্ডল সভাপতি।
সদ্য দল ছাড়া রায়গঞ্জের সাংসদ কৃষ্ণ কল্যাণী বলেন, আমার সাথে রায়গঞ্জের উন্নয়ন ও পরিষেবামূলক কাজকর্মে যুক্ত থাকার জন্য রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরীর ষড়যন্ত্র করে ওই দুই নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে। তাঁর পাল্টা হুমকি সাংসদ বা দলের যদি সাহস থাকে আমাকে বহিষ্কার করে দেখাক। আমি নিজেও শোকজের কোনও জবাব দিইনি। যদিও এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে মুখ খুলতে নারাজ বিজেপির ৩১ নম্বর মন্ডল সভাপতি শ্যামল পাল।
তবে বিজেপির জেলা সভাপতি বাদুদেব সরকার জানিয়েছেন, একজন মন্ডল সভাপতি কোনও কার্যকর্তাকে বহিষ্কার করতে পারে না। সঞ্জয় দেব এবং সঞ্জয় শীলকে সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপের জন্য শোকজ করা হয়েছিল। যদিও সেই শোকজের জবাব তাঁরা দেননি। তবে বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেওয়া হবে।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অরিন্দম সরকার বলেন, সারা বাংলা থেকেই এই দল উঠে যাবে। রায়গঞ্জ তথা উত্তর দিনাজপুর জেলায় আগামীতে বিজেপি বলে কোনও দল থাকবে না।

