জয় লাহা, দুর্গাপুর, ৫ এপ্রিল: প্রচারে যাওয়ার পথে গলসীর বিজেপি প্রার্থী বিকাশ বিশ্বাসের গাড়িতে হামলা। বরাত জোরে প্রাণে বাঁচলেন প্রার্থী। অভিযোগের আঙুল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতিদের দিকে। সোমবার ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল বুদবুদের ঘাঘড়া মোড় এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী।
গলসী বিধানসভা আসনে এবারে বিজেপির প্রার্থী হয়েছে শিক্ষক বিকাশ বিশ্বাস। ইতিমধ্যে তাঁর মনোনয়নপত্রও জমা হয়ে গেছে। গত কয়েকদিন ধরে জোরকদমে প্রচার শুরু করেছেন তিনি। দলীয় কর্মীদের মধ্যেও প্রবল উচ্ছ্বাস। সোমবার বুদবুদে দলীয় কর্মীদের নিয়ে ঘরোয়া মিটিং ছিল। সেখান থেকে কসবা এলাকায় প্রচারে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, ওইসময় ঘাঘড়া মোড়ের কাছে দু’ জন দুষ্কৃতী মেটরবাইকে এসে বিকাশবাবুর গাড়জতে হামলা চালায়। গাড়ীর সামনের কাঁচ ভেঙ্গে দেয়। কোনওক্রমে প্রাণে বাঁচেন চালক ও বিকাশবাবু। তিনি বলেন, “তৃণমূল আশ্রিত দু’ জন মোটরবাইকে এসে অতর্কিতে পাথর ছুঁড়তে থাকে। গাড়ির সামনের কাঁচ ভেঙ্গে যায়। বেগতিক বুঝে গাড়ি দাঁড় করিয়ে দিই। আমাদের সঙ্গে আরও তিনটা গাড়ি ছিল। তারাও দাঁড়িয়ে পড়ে।”

তিনি বলেন, “গণতান্ত্রিকভাবে লড়াইয়ে তৃণমূল হেরে যাওয়ার ভয়ে এভাবে ইট, পাথর ছুঁড়ে এলাকায় অস্থিরতা তৈরি করতে চাইছে। আশঙ্কা করছি, তৃণমূল নির্বাচনে আরও সন্ত্রাস চালাবে। নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি, এলাকায় তৃণমূলের পার্টি অফিসগুলোতে তল্লাশি চালানো হোক। তবে মানুষ এর জবাব দেবে।”
যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে গলসী-১ নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি জনার্দ্দন চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “বিজেপির লোকজন নেই। বাইরে থেকে লোকজন নিয়ে এসে প্রচার করছে। মানুষের সহানুভুতি পাওয়ার জন্য গাড়ির কাঁচ ভেঙ্গে এধরনের নাটক করছে। বিজেপির নোংরা রাজনীতিকে ধিক্কার জানাই।” এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বুদবুদ থানার পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

