বনগাঁর মানুষের বাক স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনিয়ার

সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, 
২৭ মার্চ: বাক স্বাধীনতা হারিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর মানুষ। একনায়কতন্ত্র শাসন চলছে বনগাঁয়। তৃণমূলের এই সন্ত্রাস থেকে মুক্তি দেওয়ার আশ্বাস দিলেন বনগাঁ উত্তরের বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনিয়া। এদিন প্রচারে বেড়িয়ে বিজেপি প্রার্থী অশোকবাবু বলেন, গত ১০ বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইয়েরা বনগাঁর মানুষের বাক স্বাধীনতা ছিনিয়ে নিয়েছে। প্রচুর মানুষের ব্যবসা কেড়ে নিয়েছে। প্রচুর মানুষের জমি, ভিটে বাড়ি কেড়ে নিয়ে বনগাঁ ছাড়া করেছে বনগাঁর তৃণমূলের নেতারা। এছাড়া ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলা তুলেছে। এমনকি ভ্যান চালক, টোটো চালকদেরও রেহাই দেয়নি বনগাঁ তৃণমূল পরিচালিত পৌরসভা। কেউ জমি, বাড়ি বা দোকান কিনলেও দিদির ভাইদের কাটমানি দিতে হয় বনগাঁর মানুষকে। এই অত্যাচার রুখতে পারে একমাত্র ভারতীয় জনতা পার্টি।

বনগাঁ উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির পক্ষ থেকে অশোক কীর্তনিয়াকে প্রার্থী করা হয়েছে। অশোকবাবুকে প্রার্থী করায় খুশি বনগাঁর মানুষ। তিনি ভূমিপুত্র, ও লড়াকু নেতা হিসাবে পরিচিত।

অন্যদিকে তৃণমূল প্রার্থী শ্যামল রায়। সংযুক্ত মোর্চার সিপিএম প্রার্থী পীযূষ সাহা। এদিন সকালে অশোকবাবু গোপালনগর আটিরপাড়া শীতলা মন্দিরে পুজো দিয়ে সোনার বাংলার গড়ার লক্ষ্যে গ্রামে গ্রামে পায়ে হেঁটে প্রচার সারেন। গ্রামের মানুষ অশোকবাবুকে কাছে পেয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একরাশ অভিযোগ তুলে ধরেন। এলাকায় ভালো রাস্তা নেই, পানীয় জলের সমস্যা, এছাড়া তাঁদের অভিযোগ বনগাঁ পৌরসভা, গ্রামের টোটো বা ভ্যান বনগাঁয় ঢুকতে দেয় না।

অশোকবাবু বলেন, দীর্ঘ ৩৪ বছর ধরে সিপিএম সন্ত্রাস করেছে। সেই সন্ত্রাস থেকে রেহাই পেতে মানুষ পরিবর্তন চেয়েছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন বদলা নয় বদল চাই। আদৌও বদল হয়নি গোটা রাজ্যে। দিদির ভাইয়েরা ক্ষমতায় এসে বনগাঁয় প্রচুর মানুষের ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছে। তাঁর অনুগামী না হলে তাকে বনগাঁ পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হয়নি। এছাড়া বনগাঁ মহকুমার অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে ভারতের সব থেকে বড় স্থলবন্দর পেট্রাপোল সীমান্তে। এই সীমন্ত থেকে কোটি কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আমদানি হয়। নাম না করে তিনি বলেন, তৃণমূলের এক ব্যক্তির হস্তক্ষেপে দুই দেশের ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। বাইরে থেকে পণ্য বোঝাই করে যে সমস্ত ট্রাকগুলি আসে, সেই ট্রাক চালকদের কাছ থেকে প্রচুর টাকা তোলা তোলে। এই সব বন্ধ হওয়ার দরকার। ভারতীয় জনতা পার্টি ক্ষতায় এলে বনগাঁর মানুষের বাকস্বাধীনতা ফিরবে। তৃণমূল সরকারের এই সন্ত্রাস বন্ধ হবে বলে দাবি বিজেপি প্রার্থী অশোকবাবুর।            
 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *