আমাদের ভারত, ১৭ জুন: “বাঙালি হিন্দুর স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গে বিহারীরা স্বাগত”। প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়ের এই দাবিতে প্রবল প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর এই পোষ্টে এক ঘন্টায় লাইক, মন্তব্য ও শেয়ার হয়েছে যথাক্রমে ২৯৩, ৫৭ ও ৬।
তথাগতবাবু লিখেছেন, “১৯৪৬-এর কলকাতার দাঙ্গায় সোহরাওয়ার্দির কুত্তাবাহিনীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল গোপাল পাঁঠার নেতৃত্বে হিন্দু বাঙালি, সর্দারজীরা ও মানিকতলার কালোয়াররা। নোয়াখালীর হিন্দুহত্যাও বন্ধ হয়েছিল বিহারে প্রতিশোধ নেবার ফলে। বাঙালি হিন্দুর স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গে বিহারীরা স্বাগত।“

দীপক কুমার ঘোষ লিখেছেন, “কথাটা ঠিকই। সেদিন যদি বিহারীরা পাল্টা মার না দিত তবে নোয়াখালী হিন্দু গণ হত্যা থামতো না।“ শ্রীরাম ঠাকুর লিখেছেন, “বিহারিদের দম আছে। বিহারের গয়া জেলার মানুষ বাঙ্গালীর শহর কলকাতার মহানাগরিক। যে চেয়ারে এক সময় বসতেন নেতাজী, দেশবন্ধু। প্রাদেশিকতা জিগির তোলা বাঙ্গালীর নয়া ঠিকাদার জামাত পক্ষ কী বলেন, জানতে চাই বাঙ্গালী।“
অন্যদিকে সইদুল খান লিখেছেন, “আপনাকে বিহার এই মুহূর্তে স্বাগত জানাচ্ছে “অগ্নিপথ” এর সুফল নিয়ে কিছু বলার জন্য।“
প্রসঙ্গত বৃহস্পতিবার হিন্দুস্বার্থ সম্পর্কে তথাগতবাবুর একটি মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে যথেষ্ঠ মাত্রা পায়। তাঁর সেই পোষ্টে ২১ ঘন্টা বাদে, শুক্রবার বেলা সাড়ে চারটায় লাইক, মন্তব্য ও শেয়ার হয়েছে যথাক্রমে ৮২৩, ৮১ ও ১৩। তিনি লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির অধিবেশনে পাশ রাজনৈতিক প্রস্তাবে হিন্দু, হিন্দুত্ব, হিন্দুর উপর অত্যাচারের বিষয়ে একটিও লাইন নেই। হিন্দুত্বেই বিজেপির পরিচয়। হিন্দুত্বকে অবহেলা করে উনিশশো-আশির দশকে বিজেপি দুটি আসনে এসে ঠেকেছিল। তারপর রামমন্দির আন্দোলনের ফলে পার্টি আবার মাথা তুলে দাঁড়ায়।“

