আমাদের ভারত, আরামবাগ, ১৫ ফেব্রুয়ারি: এটিএম জালিয়াতির ঘটনায় বড় সাফল্য গোঘাট থানার পুলিশের। গোঘাট থানার একটি এটিএম জালিয়াতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া আসামির টিআই প্যারেড সম্পন্ন হওয়ার পর আদালতের নির্দেশে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থ উদ্ধার করা হয় এবং অপরাধে ব্যবহৃত গাড়িটিও পুনরুদ্ধার করা হয়। মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া এখনও অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
আজ সকাল ১১টায় আরামবাগ মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সুপ্রভাত চক্রবর্তীর উপস্থিতিতে গণমাধ্যমের সামনে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কামারপুকুর মহেশপুর এলাকার স্টেট ব্যাঙ্ক সংলগ্ন একটি এটিএমে টাকা তুলতে গিয়েছিলেন এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তিনি এটিএম মেশিন পরিচালনা করতে সমস্যায় পড়লে সেই সুযোগকে কাজে লাগায় প্রতারক চক্র। কৌশলে তাঁর এটিএম কার্ড বদলে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ওই কার্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন এটিএম থেকে মোট ৭৫ হাজার ৫০০ টাকা তোলা হয়। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর গোঘাট থানার অফিসার সুজন মজুমদারের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল তদন্তে নামে। প্রযুক্তিগত সূত্র ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অবশেষে রায়দিঘি এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে আরো কেউ যুক্ত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আপাতত প্রকাশ করা হচ্ছে না।এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ালেও পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপে স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয়দের।

