সোমনাথ বরাট, আমাদের ভারত, বাঁকুড়া, ৩০ আগস্ট: ফের বড়সড় ধাক্কা খেল বিজেপি। বিষ্ণুপুর বিধানসভা কেন্দ্ৰ থেকে নিৰ্বাচিত বিধায়ক তন্ময় ঘোষ বিজেপি ছেড়ে ফের তৃণমূলে যোগদান করলেন। আজ শিক্ষামন্ত্ৰী ব্ৰাত্য বসুর হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করলেন। এর ফলে বৰ্তমান বিধানসভায় বিজেপির বিধায়কের সংখ্যা হ্ৰাস হল। সদ্য বিধানসভা নিৰ্বাচনের ঠিক মুখেই তৃণমূলের যুব নেতা তথা বিষ্ণুপুর শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি তন্ময় ঘোষ তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন।তিনি ৫ মে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন, আর তার পরদিনই ঘোষিত হয় বিজেপির প্ৰাৰ্থী তালিকা।
স্থানীয় বিজেপি নেতা কৰ্মীদের হতবাক করে তন্ময় ঘোষকে বিষ্ণুপুর বিধানসভা কেন্দ্ৰর প্ৰাৰ্থী মনোনীত করে বিজেপির শীৰ্ষ নেতৃত্ব। বিধানসভা নিৰ্বাচনে তন্ময়বাবু তৃণমূল প্ৰাৰ্থী অৰ্চিতা বিদকে ১১ হাজারের বেশী ভোটে পরাজিত করে বিজয়ী হন।
বিধায়কের দলত্যাগে স্বাভাবিক ভাবেই হতভম্ব বিজেপি। বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুজিত অগস্থি বলেন, তিনি বিজেপির টিকিটে জয়লাভ করলেও ঠিকমত যোগাযোগ রাখছিলেন না। তিনি তার পুরনো দলে ফিরে গেলেন, এতে আমাদের দলে বিশেষ প্ৰভাব পড়বে না।

অপরদিকে জেলার প্ৰাক্তন মন্ত্ৰী তথা বাঁকুড়া তৃমূল কংগ্রেসের প্ৰাক্তন সভাপতি শ্যামল সাঁতরা বলেন, তন্ময় ঘোষ বিষ্ণুপুরের যুব সভাপতি ছিলেন। ভোটের আগে বিজেপিতে যোগদান করে। এখন ফের তৃণমূলে যোগদান করলেন। মানে ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে এল, আমাদের কাছে খুশীর খবর।
এই প্ৰসঙ্গে তিনি বলেন, আসলে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব দিশেহারা, মুষড়ে পড়েছে। এই অবস্থায় ও (তন্ময়) কোনও কাজ করতে পারছিল না। ওর মতো কাজের ছেলে তো বসে থাকতে পারবে না, তাই মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কৰ্মযজ্ঞে নিজেকে সামিল করতে তৃণমূলে ফিরে এসেছে।

