(সাব- ইন্সপেক্টর)
রাজেন রায়, কলকাতা, ১২ ডিসেম্বর: রক্ষকই ভক্ষক। এমন ঘটনাই ঘটেছে বিধাননগরে। পুলিশের বিরুদ্ধেই শ্লীলতাহানির অভিযোগ। অবশ্য পুলিশের উর্দি গায়ে চড়িয়ে অপকর্ম করে শেষরক্ষা হয়নি। গ্রেপ্তার করা হল বিধাননগর ট্রাফিকের এক সাব-ইন্সপেক্টর, একজন সিভিক ভলান্টিয়ারকে। আটক করা হয়েছে আরও এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে। সল্টলেকের করুণাময়ী মোড়ের ঘটনা। আরও অভিযোগ উঠেছে, মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন অভিযুক্ত ওই ট্রাফিক অফিসার ও সিভিক ভলান্টিয়ার।

(সিভিক ভলান্টিয়ার)
সূত্রের খবর, গত ১০ ডিসেম্বর রাতে সল্টলেকের করুণাময়ী মোড়ে দাঁড়িয়েছিলেন এক তরুণী। সেখান দিয়ে যাচ্ছিলেন বিধাননগর ট্রাফিক পুলিশের সাব ইনস্পেক্টর ও পুলিশ কর্মীরা। মহিলার কাছে তাঁরা জানতে চান, এত রাতে সেখানে কী করছেন ওই মহিলা। পুলিশকে ওই মহিলা জানান, তিনি দুর্গাপুর থেকে এসেছিলেন পরীক্ষা দিতে। কিন্তু ফিরে যাওয়ার জন্য কোনও গাড়ি পাচ্ছেন না। এরপরই ট্রাফিকের অফিসার ও পুলিশ কর্মী মহিলাকে নিয়ে বাইকে করে বিধাননগরের বিভিন্ন জায়গায় ঘোরান। এরপর বাইপাসের ধারে নামিয়ে দেন। নিজের ফোনে চার্জ না থাকায় ওই তরুণী পুলিশ অফিসারের ফোন থেকে তাঁর এক পরিচিতকে ফোন করে যোগাযোগ করেন এবং তাঁর সঙ্গেই ফিরে যান। পরে কসবা থানায় যোগাযোগ করে শ্লীলতাহানির একটি অভিযোগ জানান ওই তরুণী।
কসবা থানার পুলিশ বিধাননগর উত্তর থানায় যোগাযোগ করে ওই তরুণীকে নিয়ে। বিধাননগর উত্তর থানায় একটি লিখিত অভিযোগও করেন ওই তরুণী যে, তাঁকে বাইকে তুলে শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার করা হয় ট্রাফিকের ওই সাব ইন্সপেক্টর এবং এক সিভিক পুলিশকে। আটক করা হয় আরও এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে।

