জাতীয় গ্রন্থ হিসেবে ঘোষণা করা হোক ভাগবত গীতা’কে, অন্তর্ভুক্ত হোক পাঠক্রমে, দাবি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

আমাদের ভারত, ৫ অক্টোবর: ভাগবত গীতা’কে জাতীয় গ্রন্থ হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানালো বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। একই সঙ্গে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সর্বস্তরে এই গ্রন্থ পড়ানো বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছে এই সংগঠন। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতৃত্বরা বলেছেন, শিক্ষক থেকে শুরু করে সরকারি আধিকারিকদের মধ্যে মূল্যবোধ এবং কাজের প্রতি নিষ্ঠা ফিরিয়ে আনতে গীতা পাঠ আবশ্যক করা হোক।

শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের পাঠক্রমে ভাগবত গীতার আঠারোটি অধ্যায় কে যুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। এর ফলে শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে মূল্যবোধ, কাজের প্রতি দায়িত্ববান হওয়ার প্রবৃত্তি অনেকটাই বাড়বে বলে মতো তাদের। একই সঙ্গে সরকারি আধিকারিকদের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রতি ১৪ দিন অন্তর গীতা পাঠের আয়োজন করা প্রয়োজন বলেও জানিয়েছেন তারা। তাদের মতে এর ফলে আধিকারিকদের মধ্যে কাজের প্রতি নিষ্ঠা এবং কাজের প্রতি ভালোবাসা বাড়বে।

এই বিষয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা রাধাকৃষ্ণ মানোদী জানান, দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের সঙ্গে খুব তাড়াতাড়ি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ‘বিশ্ব গীতা’ সংস্থানের একটি প্রতিনিধি দল দেখা করবে। ওই দল একটি দাবি পত্র জমা দেবে তাদের কাছে ।

মানোদীর দাবি, পাঠক্রমে অবিলম্বে ভাগবত গীতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে তবেই সমাজে মূল্যবোধের ক্ষয় আটকানো সম্ভব হবে। সমাজকে সঠিক পথে আবার ফিরিয়ে আনা যাবে। তার মতে মুসলিম হোক বা খ্রিস্টান যারাই শিক্ষক হওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তাদের সকলের জন্যই ভাগবত গীতা পাঠ বাধ্যতামূলক করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *