আমাদের ভারত, ২০ মার্চ:সম্প্রতি গুজরাটের স্কুলের পাঠক্রমে ভগবত গীতার অন্তর্ভুক্ত করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত ভগবত গীতা পড়ানোর কথা গুজরাট বিধানসভায় ঘোষণা করেছেন সে রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী। গুজরাটের এই সিদ্ধান্তকে বাহবা জানিয়েছে কর্ণাটক সরকার। একই সঙ্গে একই পদক্ষেপ কর্নাটকেও নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই।
কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন পাঠক্রমে গীতার অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে আলোচনার পরই স্থির হবে। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর বাসবরাজ বোম্বাই স্কুলে ভগবত গীতা পড়ানোর পক্ষে সাওয়াল করে প্রশ্ন তুলেছেন, “যে ভগবত গীতা যদি নৈতিক শিক্ষা দিতে না পারে তাহলে অন্য আর কী নৈতিক জাগাতে পারে”? তিনি বলেছেন,”ভগবত গীতা পাঠ্য পুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে তা শিশুদের মধ্যে বুদ্ধিমত্তার উন্নতি ঘটাবে। এখানে ভুল কিসে? আমরা আমাদের রাজ্যে গীতা চালু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে শিক্ষা দপ্তর। আগে তাদের রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে এরপর আমরা এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব”
এই প্রসঙ্গে কর্ণাটক বিধানসভার বিরোধী দলনেতা সিদ্দারামাইয়া বলেছেন, “আমরা সংবিধান এবং ধর্মনিরপেক্ষতাকে সমর্থন করি। বিজেপি সরকারের ভগবত গীতা, কোরান, বাইবেল শেখানোর বিষয়ে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। যতক্ষণ তারা শিক্ষার্থীদের একটি মান সম্পন্ন শিক্ষা প্রদান করে যাবে, যা কিনা আজকের মান পূরণ করে, কংগ্রেস নেতা উল্লেখ করেছেন নৈতিক শিক্ষা প্রয়োজন কিন্তু সংবিধানকে অমান্য করে যেনো কোন কিছু করা উচিত নয়”। তিনি আরও বলেছেন,” আমাদের একটি বহুসাংস্কৃতিক সমাজ ও একটি বৈচিত্র্যময় দেশ। আমাদের সকলের সহনশীলতার সঙ্গে একসাথে বসবাস করা উচিত।”
সম্প্রতি বিজেপি শাসিত গুজরাটে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর পাঠক্রমে ভগবত গীতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। রাজ্য সরকার এটিকে নৈতিক জ্ঞানের শিক্ষার অঙ্গ হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে।

