আমাদের ভারত, ৬ আগস্ট: শুক্রবার দিল্লি সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের এক অনুষ্ঠানে থাকবেন তিনি। এরপর রবিবার প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে নীতি আয়োগের বৈঠকেও থাকার কথা রয়েছে। কিন্তু এরমধ্যেই বিরোধী শিবিরে তৃণমূল কংগ্রেসের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বিজেপির রাজ্য সভাপতির কথায় তৃণমূল কংগ্রেসকে দিল্লিতে কি আদৌ কেউ বিশ্বাস করে?
চলতি সফরে দিল্লিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেও বিরোধী নেতাদের সঙ্গে তৃণমূল সুপ্রিমোকে এবার একবারের জন্য দেখা যায়নি। আর এই প্রসঙ্গেই কটাক্ষ করে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসকে দিল্লিতে আদৌ কেউ বিশ্বাস করে কিনা তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রতিটি ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান বদল করেছেন তাতে স্বাভাবিকভাবেই দিল্লির রাজনীতিতে তিনি অপাংক্তেয় থাকবেন বলেই আমার মনে হয়। কারণ তার বিশ্বাসযোগ্যতা তলানীতে। তাকে কেউ বিশ্বাস করে না দিল্লিতে। যতদূর আমি দিল্লির রাজনীতি দেখেছি বা বুঝেছি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশ্বাস করা থেকে সাপকে বিশ্বাস করা ভালো।”
সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, “সারা ভারতে উনি একটি মনোভাব প্রকাশ করার চেষ্টা করেন যা কৃত্রিম। পশ্চিমবঙ্গের বাস্তবতা বলছে তা ঠিক নয়। তার এমন মনোভাব ছিল যেনো তিনি বিরোধীদের থেকেও বড় বিরোধী। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সবাই বুঝে গিয়েছে তারা প্রতারিত হচ্ছে। ওনার বিশ্বাসযোগ্যতা আসলে তোলা রয়েছে নরেন্দ্র মোদীর প্রতি। নরেন্দ্র মোদীর ভরসা আছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি। যত দিন যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এবং ভিন রাজ্যের রাজনৈতিক নেতারা বুঝতে পারছেন সবথেকে অবিশ্বাসযোগ্য একটি শক্তি তৃণমূল কংগ্রেস। এটি সম্পূর্ন দ্বিচারিতা।”

