অশোক সেনগুপ্ত
আমাদের ভারত, ৭ মে: অক্ষর শুদ্ধ বানান ও ভাষা চর্চা ফেসবুক গ্রুপে
#বানানের_টিপস্-এ স্বপন ভট্টাচার্য লিখেছেন, “দরুন, দারুণ / ধরন, ধারণ
এই শব্দগুলো লিখতে গিয়ে আমরা প্রায়ই গুলিয়ে ফেলি। ‘ন’ এর জায়গায় ‘ণ’ আবার কখনও বা ‘ণ’ এর জায়গায় ‘ন’ বসিয়ে দিই।
আমরা জানি যে ণত্ববিধি অনুযায়ী ঋ, র আর ষ-এর পর ‘ন’ এলে তা হবে ‘ণ’। সেই হিসেবে দারুণ বা ধারণ এই বানানগুলো ঠিকই আছে। কিন্তু তাহলে কেন ‘দরুন’ আর ‘ধরন’ বানানে ‘ন’? এর কারণ হল ণত্ববিধি প্রযোজ্য হবে শুধুমাত্র তৎসম শব্দে। আর ‘দরুন’, ‘ধরন’ এই শব্দগুলো তৎসম শব্দ নয় তাই আমরা লিখব ‘ন’। এই প্রসঙ্গে আর একটা কথা বলে নিই। ‘ধরণ’ (ধৃ+অন) একটা সংস্কৃত শব্দও আছে। অর্থাৎ ধরে আছে যে। তবে এই অর্থে ‘ধরণ’ শব্দটার বাংলায় ব্যবহার প্রায় নেই বললেই চলে। শব্দটা বাংলায় ‘ধর’ বানিয়ে নিয়েছি। যেমন:- মুরলীধর (মুরলীধরণ), বংশীধর (বংশীধরণ)। আমরা সাধারণত বাংলায় যে ‘ধরন’ শব্দটা ব্যবহার করি তা একটা অতৎসম শব্দ যার মানে রকম বা প্রকার আর এই শব্দের বানানে ন ব্যবহার করাই বাঞ্ছনীয়।

