আমাদের ভারত, ১১ জুন: “পশ্চিমবঙ্গে থাকা যাবে তো! এরকম লুটপাটই হয়েছিল তখন। কী আছে ভাগ্যে জানি না। অবস্থার ইঙ্গিত খুব স্পষ্ট, বাঙালি হিন্দুকে আবার হয়ত ঘর বাড়ি ছেড়ে মহাপ্রস্থানের পথে নামতে হবে। কোথায় যাব আমরা? আর তো স্থান নেই! ড.শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মত দূরদর্শী ব্যক্তিত্বও নেই!“
পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতিতে এই প্রতিবেদকের কাছে এই ভাবনার কথা জানালেন প্রবীন শিক্ষাবিদ তথা ভারতীয় জাদুঘরের অছি পরিষদের সদস্য ডঃ অচিন্ত্য বিশ্বাস। তিনি জানান, “শুধু ডোমজুড় নয় শুক্রবার নমাজের পর, দিল্লির জামা মসজিদ থেকে শুরু করে সারা দেশেই ‘নূপুর শর্মা (আর অন্য অভিযুক্ত)কে গ্রেপ্তারের দাবি’তে বড় জমায়েত হয়েছে। সর্বত্র পুলিশ শান্তি রক্ষার কাজ করেছে। ব্যতিক্রম, পশ্চিমবঙ্গ। এখানে হাতজোড় করে আবেদন করেছেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী, বলেছেন অবরোধ তুলে নিন। তবে তিনি দু’য়েকটা কথা বলেছেন যা বোধহয় ঠিক নয়। ‘দিল্লিতে গিয়ে আন্দোলন করুন’ জাতীয় কথা মুখ্যমন্ত্রীর যোগ্য নয়।

ছবি: ফেসবুকে ভাইরাল এই ছবি।
আশ্রয় প্রশ্রয় বা তোষণ— যাই হোক, বিষয়টি মারাত্মক। এই সঙ্ঘবদ্ধ ধর্মান্ধদের যা ইচ্ছা করার স্বাধীনতা দিলে কী হতে পারে তার প্রমাণ বহু, তাই পরিণতি সহজেই অনুমেয়। বহুবার এরকম নিষ্ক্রিয় সহানুভূতিশীল শাসকের সামনেই যুথবদ্ধ সশস্ত্র ধর্মান্ধদের হাতে আমাদের মা বোনরা লাঞ্ছিত হয়েছে, মারা গেছে বহু হিন্দু বাঙালি। উৎসন্ন উদ্বাস্তু হতে হয়েছে।
হাওড়া জেলা সহ অনেক জায়গায় জাতীয় সড়ক অবরোধ অন্যায়। পুলিশ নিষ্ক্রিয়। হাত জোড় করে প্রশাসনিক মুখ্য অনুরোধ করেছেন মাত্র! সাধারণ মানুষের জীবনে এই হাঙ্গামার কোনও যুক্তি নেই।
এরকম ঘটনা দেশ ভাগের স্মৃতি উস্কে দিচ্ছে!“

