আমাদের ভারত, পূর্ব মেদিনীপুর, ২১ মার্চ: আগে পূর্ব মেদিনীপুর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে পরিগণিত হত, সভা করতে হলে অনুমতি নিতে হতো, দক্ষিণ কাঁথি বিধানসভায় ভোট প্রচার করতে এসে এই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাধারণ মানুষকে জোড়া ফুলে ভোট দেওয়ার আহ্বান করে তিনি জানান, জোড়া ফুলে ভোটটা দিন। পূর্ব মেদিনীপুর
জেলাকে আমি দেখে দেব।
এরপর একের পর এক বিভিন্ন উন্নয়নমূলক এবং সামাজিক সুরক্ষা মূলক প্রকল্পের খতিয়ান তুলে ধরেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগে মৎস্যজীবীদের আইডেন্টিটি কার্ড ছিল না। তৃণমূল সরকার সেটা করে দিয়েছে। আগে মানুষ মাছ ধরতে গিয়ে হারিয়ে গেলে আর ফিরে আসত না, পরিবারের লোক কাঁদত। এখন বাংলাদেশের গেলে সেই আইডেন্টিটি কার্ড দেখে বাংলাদেশ থেকে ফিরে আসতে পারবে। তাজপুর বন্দর হয়ে গেলে ২৫ হাজার যুবকের কর্মসংস্থান হবে।

নাম না করে অধিকারী পরিবারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এখানে একজনের জমিদারি ছিল। আসতে গেলে অনুমতি নিতে হতো। এখন আমি মুক্ত। এখন যখন খুশি সভা করতে পারি। আমাকে আর অনুমতি নিতে হবে না। যে গদ্দার মীরজাফররা বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে ছিল, রাতে কানে কানে কথা বলত, দিনে চুমু খেত, তাদের সাথে আমরা যোগাযোগ রাখি না। একসময় অনেক সম্মান করতাম। অনেক ভালবাসতাম। আজ সেই মীরজাফর বিশ্বাসঘাতকের দল বিজেপির হাত ধরে নিয়েছে। আর বলছে ২০১৪ সাল থেকে আমাদের সম্পর্ক ছিল। তার মানে ঘরে ঢুকে সিঁদ কেটেছে। এদের থেকে বড় গদ্দার আর কেউ হতে পারে না। মেদিনীপুর থেকে মুক্ত করতে হলে এদের হাত থেকে মেদিনীপুর থেকে মুক্ত করতে হবে। এটা মাথায় রাখবেন। তারা দল থেকে বেরিয়ে গেছে খুশি হয়েছি।
আজ পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় পরপর তিনটি সভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম সভাটি করেন কাঁথি দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায়। দ্বিতীয় করেন উত্তর বিধানসভা এলাকায় এবং তৃতীয় ও শেষ সিটি করেন নন্দকুমার বিধানসভা এলাকায়। তিনটি মঞ্চ থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো উপরের কথাগুলো বলেন।

