রাজেন রায়, কলকাতা, ১৯ মার্চ: রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন ২৭ মার্চ। এই পর্বের নির্বাচন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে আরও বেশি সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইলেন। বিবেক দুবের এই দাবি সমর্থন করে বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েকও এই একই দাবি করলেন কমিশনের কাছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম দফার নির্বাচনে আরও ১৫৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজ্যে এখনও ৭২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রযেছে। কিন্তু ৭২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে প্রথম দফার সব বুথে সংবেদনশীল বুথ হিসেবে ধরে ভােট করা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন বিবেক দুবে। অজয় নাযেকও একই ভাবে মনে করছেন ৭২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে সব বুথ সংবেদনশীল হিসেবে চিহ্নিত করে শান্তিতে নির্বাচন পরিচালনা করা সম্ভব নয়।
তাই তাঁরা দু’জনই চাইছেন আরও বাড়তি কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া হােক প্রথম দফার নির্বাচনে। এবার রাজ্যে ৮ দফায় নির্বাচন হতে চলেছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনার নির্ঘন্ট অনুযায়ী আগামী ২৭ মার্চ প্রথম দফার নির্বাচন হতে চলেছে। প্রথম দফায় ৫টি জেলায় ১০ হাজার ২৮৮টি বুথে নির্বাচন হবে। জঙ্গলমহলের প্রতিটি বুথে ৮ জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবেন। প্রাথমিকভাবে যে পরিকল্পনা করা হয়েছে তাতে জঙ্গলমহলের বাইরে যে ভােট কেন্দ্রে ১ থেকে ৩টি বুথ আছে সেখানে বুথ পিছু ৪ জন, ৪ থেকে ৮টি বুথ আছে এমন বুথে ৮জন, ৯ থেকে ১৫টি বুথে ১৬ জন জওয়ান থাকবেন বুথ রক্ষার দায়িত্বে। এছাড়াও মহকুমা শাসক ও মহকুমা পুলিশ শাসকের তত্ত্বাবধানে থাকবে ১ কোম্পানি করে সেনা বাহিনী।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে অশান্তির আশঙ্কা রয়েছে। তাই সব দিক থেকে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করে নির্বাচন শুরু করতে চাইছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তাই প্রথম দফার নির্বাচনে বিশেষ পর্যবেক্ষক ও পুলিশ পর্যবেক্ষক অশান্তির আশংকা থেকেই আরও বেশি সেনা বাহিনী চাইছে। তাহলে কী প্রথম দফা নির্বাচন থেকেই রাজ্যে অশান্তির আশঙ্কা করছে কমিশন? প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে।

