পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ৪ মার্চ: তৃণমূল সুপ্রিমোর ঘোষণার আগেই দক্ষিণ দিনাজপুরে চার বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা তোরাব হোসেন মন্ডলের। কুমারগঞ্জের বর্তমান বিধায়কের ফেসবুক পেজ থেকেই করা হয়েছে ওই পোস্ট। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যেয় এমএলএ তোরাব হোসেন মন্ডলের ফেসবুক পেজ থেকে এমন পোস্ট সামনে আসতেই রীতিমতো আলোড়ন ছড়িয়ে পড়ে গোটা দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়। তবে দলের সুপ্রিমোর ঘোষণার আগেই কিভাবে ওই চারটি বিধানসভার প্রার্থীর নাম বিধায়ক জানতে পারলেন তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন? শুধু তাই নয়, দলের নেত্রীকে অবমাননা করে বিধায়কের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন পোস্টকে ঘিরে কার্যত অস্বস্তিতে পড়েছেন দলের নেতাকর্মীদের একাংশ। যে ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূলের নেতৃত্বদের একাংশের মধ্যেও তৈরি হয়েছে চাপা ক্ষোভ। বিষয়টি পুরো দল বিরুদ্ধ কাজ বলেই দাবি করেছেন জেলা তৃণমূল সভাপতি।

জেলা তৃণমূল সভাপতি গৌতম দাস জানিয়েছেন, দলের নেত্রীর আগে প্রার্থীর ব্যাপারে কারোরই কিছু জানা সম্ভব নয়। এটা অনৈতিক ও দল বিরুদ্ধ কাজ। কারা এর পিছনে আছেন সেটি খতিয়ে দেখছেন।
এদিন সন্ধ্যায় দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের বিধায়কের ফেসবুক পেজ থেকে বেশকিছু পোস্ট সামনে আসতেই রীতিমতো আলোড়ন ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে দেখা যায় ওই বিধায়কের নিজস্ব বিধানসভার পেজ থেকে রিকি সরকার নামে একজন তার পেজে জেলার চারটি বিধানসভার কনফার্ম প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছেন। যেখানে তপন আসন থেকে বাচ্চু হাঁসদাকে, কুশমন্ডি আসন থেকে অম্বরিশ সরকার, কুমারগঞ্জ আসন থেকে তোরাব হোসেন মন্ডল এবং গঙ্গারামপুর বিধানসভা আসন থেকে গৌতম দাসকে তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। যা সামনে আসতেই তুমুল শোরগোল পরিস্থিতি তৈরি হয়। জেলার ছয়টি বিধানসভার মধ্য থেকে চারটি আসনের প্রার্থীদের দলনেত্রীর ঘোষণার আগেই কিভাবে নিশ্চিত করলেন ওই তৃণমূল বিধায়ক তা নিয়েই জোর চর্চা শুরু হয়েছে জেলাজুড়ে। দলের সুপ্রিমোর ঘোষণার আগে একজন বিধায়ক কিভাবে নিজের ফেসবুক পেজ থেকে এমন প্রার্থী ঘোষণা করলেন তা নিয়ে দলের অন্দরেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

যদিও ওই তৃণমূল বিধায়ক তোরাব হোসেন মন্ডলের দাবি, এব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। যারাই একাজ করুক অত্যন্ত অন্যায় করেছে। নেত্রীর আগে কারোরই জানা সম্ভব নয়, কে কোথাকার প্রার্থী হচ্ছেন।


