জঙ্গিদের বাংলাদেশ যোগ, প্রশ্ন গোয়েন্দা ব্যর্থতা নিয়েও

রাজেন রায়, কলকাতা, ১৮ জুলাই: জেএমবি জঙ্গি সংগঠন নিয়ে এসটিএফ যত তদন্ত করছে ততই কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বের হচ্ছে। জেএমবি সংগঠন যেন ডাল পালা বিস্তার করে এক মহীরুহ আকার নিচ্ছে। জেএমবি জঙ্গিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের কাছ থেকে মিলেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এই সংগঠনের বাংলাদেশের ডালপালা এখন এই দেশে।

চারজন ধৃত জেএমবি জঙ্গির রিমোট কন্ট্রোল বাংলাদেশের এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর আধিকারিকের হাতে। সেখান থেকেই রিমোট চলত আর এখানে স্লিপার সেল হিসেবে কাজ করতো এই জঙ্গি সদস্যরা। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ইসলামিক স্টেট অব বেঙ্গল প্রভিন্স নামে আলাদা একটি উইংস তারা খুলেছিল। যে উইংসের কাজ ছিল স্লিপার সেল হিসেবে কাজ করা আর স্লিপার সেল নিযুক্ত করার পাশাপাশি জঙ্গিদের টাকা ট্রান্সফারের কাজ তারা করত। হুন্ডির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে এবং ফান্ডিং এর প্রপার ডিসট্রিবিউশন করত ৪ জন জঙ্গি।

প্রশ্ন উঠছে দেশের ইন্টেলিজেন্স নিয়ে। রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইংস অর্থাৎ এনআইএ, আর্মি ইন্টেলিজেন্স, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স, স্টেট ইন্টেলিজেন্স, সরকারের সঙ্গে যুক্ত বহু বেসরকারি ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি। তারা কিভাবে এতদিন ধরে ব্যর্থ হল? এটা কি ব্যর্থতা গোয়েন্দাদের? নাকি জঙ্গিদের সুস্থ নিপুন প্ল্যান? তিন মাস পরে শহরে তারা তাদের কাজ করে যাচ্ছে, তিন মাস বাদে জানতে পারল গোয়েন্দারা?

সীমান্তে নিরাপত্তা কি আরও বাড়ানো উচিত কারণ এদের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করে যে তথ্য উঠে এসেছে তাতে পরিষ্কার যে পরিচয় পত্র বানানো খুবই সহজ। পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করা খুবই সহজ।
এই গাফিলতি কিভাবে কাটিয়ে ওঠা যায়? প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *