সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ১৩ নভেম্বর: বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা করলে বা মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করেলে, তৃণমূলের জেলা সভানেত্রী সহ নেতাদের হাত, পা ভেঙ্গে দেওয়ার নিদান দিলেন বিজেপি বিধায়ক। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতির বিতর্ক। তৃণমূলের সভানেত্রী অবশ্য এই হুমকিকে তোয়াক্কা না করে ওই বিজেপি বিধায়ককে ব্যক্তিগত ভাবে আক্রমণ করেছেন।
রাজ্যে পেট্রোল, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগর থানার ন’হাটা বাজারে বিজেপির পক্ষ থেকে একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদার বলেন, ‘তৃণমূলের জেলা সভানেত্রী বাইরে থেকে এসে যদি এলাকার বিজেপি নেতা, কর্মীদের উপর অত্যাচার চালায়, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করে, তাহলে তিনি তাঁর শরীর আস্ত নিয়ে ফিরতে পারবে না। এই এলাকায় বিজেপির ক্ষমতা কতটা, তা বিধানসভা ভোটে প্রমাণ হয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, তিনি তৃণমূলের মধ্যেও ঝামেলা পাকাচ্ছেন। বনগাঁ মহকুমায় এই রকম নোংরা রাজনীতি চলবে না।
এদিন দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ্যে বিজেপি বিধায়ক নিদান দেন, ‘কোনও তৃণমূল নেতা যদি বিজেপির কোনও কর্মীর গায়ে হাত দিতে আসে, আপনারা তার হাত, পা ভেঙ্গে দিয়ে আমার কাছে যাবেন। বাকিটা আমি দেখে নেব। করোনার কারণে আমরা এতোদিন সঙ্গবদ্ধ হতে পারিনি।’

এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে এদিন তৃণমূলের বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা সভানেত্রী আলোরানী সরকার বলেন, ‘বিজেপিতে আর কেউ আছে বলে আমার মনে হয় না। বিজেপির যে নেতা এই হুমকি দিয়েছে, তার বিরুদ্ধে প্রচুর মামলা চলছে। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও তিনি কটাক্ষ করে বলেন, এমন একজন মানুষের কাছ থেকে এমন মন্তব্যই কাম্য।’

