Hindu Muslim কুরাজনীতি হিন্দু-মুসলমান ব্যবধান তৈরী করছে, ফল শুভ হবে না, সতর্ক করলেন তথাগত রায়

আমাদের ভারত, ১১ জুন: ‘জিহাদি উন্মত্ততা এবং তাকে আশ্রয় করে কুরাজনীতি’-র কড়া সমালোচনা করলেন প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়। শনিবার ফেসবুকে তাঁর পোস্ট করার দু’ঘন্টা পর লাইক, মন্তব্য ও শেয়ারের সংখ্যা হয় যথাক্রমে ৬৯২, ৯৭ ও ২৬।

তথাগতবাবু লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ, শান্তিপ্রিয়, ছাপোষা, লিভ অ্যান্ড লেট লিভ-এ বিশ্বাসী ভারতীয় নাগরিক মুসলিমদের উদ্দেশ্য করে বলছি : ভাববেন না কিন্তু, যে অবস্থা আপনাদের অনুকূলে গড়াচ্ছে। জিহাদি উন্মত্ততা এবং তাকে আশ্রয় করে কুরাজনীতি আপনাদের সঙ্গে হিন্দুদের ব্যবধান তৈরী করছে। এর ফল শুভ হবে না।”

প্রতিক্রিয়ায় মানসী মজুমদার লিখেছেন, “স্যার, ওদের এইসব বলে কোনো লাভ হবে না, আর বাঙালি হিন্দুদের কোনোদিনও বোধোদয় হবে না। এটাই ফ্যাক্ট।“ চঞ্চল হালদার লিখেছেন, “সাব্বাস, সত্যি কথা সামনা সামনি বলার জন্য ধন্যবাদ। আমার মতামতও এটাই।“

সৈকত মিত্র লিখেছেন, “অবিভক্ত ও বিভক্ত বাংলার বুকে ওদের দাঙ্গা খুনোখুনির ট্রাক রেকর্ড অনেক ভালো। আপনি কি মনে করছেন হিন্দুরা একত্রিত হয়ে এর বিরুদ্ধে দাঁড়াবে? ওরা ওদের ক্ষমতা ভালো ভাবেই জানে, আর সেই ভাবেই কাজ করছে। এই করেই ভারত ভেঙে দুটো দেশ বাগিয়ে নিয়ে চলে গেলো।”

শুভ্রজিৎ দালাল লিখেছেন, “নুপুর শর্মা নিমিত্ত মাত্র, এটা আসলে অন্য পক্ষ থেকে বুঝিয়ে দেওয়া যে, “আমরা সংঘবদ্ধ, আমরা সংঘবদ্ধ ভাবে ভোট দিই। আমরাই সরকার তৈরী করি, আমরা যা ইচ্ছা তাই করতে পারি। আর সরকার সেটা জেনেও কিছু করবে না বা করতে পারবে না, আর সেটাও আমরা জানি। কারণ আমরা সংঘবদ্ধ, আর আমরা সংঘবদ্ধ ভাবে ভোট দিই।”

কৃষ্ণেন্দু দাস লিখেছেন, “আমি হালাল করা চিকেন ও মাংস খাই না। আমি কোনো মুসলিমের দোকান থেকে বিরিয়ানি খাই না। আমি জ্ঞানত কোনো মুসলিমের দোকান থেকে কিছু কিনছি না। অসুবিধে হচ্ছে হয়তো কিন্তু সেটা সাময়িক। সহ্য হয় যাবে। আপনারাও ভাবতে পারেন।“

অমিত পাইক লিখেছেন, “স্যার, আমি পরবর্তী প্রজন্মের কাছে, কাপুরুষের মতো মাথা নিচু করে- গল্প শোনাতে চাই না যে, আমার পূর্বপুরুষ মুসলিম দ্বারা বিতাড়িত হয়ে পালিয়েছিল, আমিও পালিয়েছি নিজের প্রাণ বাঁচাতে। কিন্তু, কিছু করতেও পারছি না, যারা দেশের ক্ষতি চাইছে, তাদের কাছে প্রশাসনও নত মস্তক হয়ে আছে এই রাজ্যের। উল্টে, হয়তো আমার এই কমেন্টের জন্য আইনি ব্যবস্থা হতে পারে, কিন্তু- বাস, ট্রেন, বাড়ি, মানুষ জ্বালালে কোনো কেস নেই।“

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *